ভারত সরকার আবার নতুন করে 47 টি নিষেধ করল। এই 47 টি অ্যাপের মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দুটি অ্যাপ হল হইবো(Weibo) এবং বাইডু(baidou)। এ দুটির কাজ কি আর কিভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল।

কিছুদিন আগে ভারত সরকার 275 টি চাইনিজ অ্যাপ এর নজর রেখেছে। যার মধ্যে হল পাবজি(PUBG), আলীএক্সপ্রেস(aliexpress) আরো অন্যান্য অ্যাপ সরকারের নজরে রয়েছে।

ভারত সরকারের একজন অফিসার বলেছিল যে এই 275 অ্যাপটি মধ্যে সবগুলো নিষেধ করতে পারি বা এর মধ্যে কিছু অ্যাপ নিষিধ করতে পারে আর বা এই 275 রাতের মধ্যে কোন গুলো নিষিদ্ধ না করতে পারি। কিন্তু ভারত সরকার এই 275 অ্যাপের মধ্যে 47 টি ক্লোন অ্যাপ কে নিষিদ্ধ করল বা ব্যান করল। কিছুদিন আগে 59 টি অ্যাপ নিষিদ্ধ বা ব্যান  করেছিল। এদের মধ্যে খুব জনপ্রিয় এক ছিল সেটি হলো টিক টক(tik tok) শেয়ারইট(shareit) ইউসি ব্রাউজার(uc browser) এদের নিষিদ্ধ করার পরে কিছুদিন পরেই প্লে স্টোরে(playstor) এদের ডুবলিকেট বা ক্লোন অ্যাপ চলে এসেছিল। ক্লোন অ্যাপ গুলো ছিল যেমন টিক টক(tik tok) থেকে টিক টক লাইট(tik tok lite) বা ইউসি ব্রাউজার(uc browser) থেকে ইউসি ব্রাউজার লাইট(uc browser lite), শেয়ার ইট(shareit) থেকে শেয়ারইট লাইট(shareit lite), বিউটি প্লাস থেকে বিউটি প্লাস লাইট এ দেখে কেন্দ্র সরকার এই 47 টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করল। এইসবের অ্যাপ নিষিদ্ধ করলো আর তার সঙ্গে হইবো এবং বাইডু কেউ ও নিষিদ্ধ করল।

ভারত সরকার কোন আইন দ্বারা এইসব এগুলো নিষিদ্ধ করছে এটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক(Ministry of information technology) এটি শক্তি ব্যবহার করেছেন সেক্স সিন 69 এ যেটি ইনফরমেশন টেকনোলজি আইন এই আইনটি তৈরি হয়েছিল 2009 সালে। ভারত সরকার বলেছেন যে এটি ভারতের সর্ব ভ্রমে ক্ষমতা, অখন্ডতা, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা ও জনগণ আদেশের যারা ভারত সরকার বলেছে এই অ্যাপ্লিকেশনগুলি ব্যান করা হলো।

এই অ্যাপ গুলোর মধ্যে চায়নার সবথেকে বড় এক হলেও উইব এবং বাইডু। 

উইবো(weibo) হল চায়নার টুইটার আর বাইডু(baidu) হল চায়নার গুগোল(google)।

হইবো 2009 সালে কোম্পানিটি তৈরি হয়েছে।কোম্পানির মেইন উদ্দেশ্য হল মাইক্রোব্লগিং। যেমন টুইটার কাজ করে সে রকম।

আর দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় অ্যাপ ব্যান করেছে সেটি হল বাইডু(baido)। বাইডু(baido) কিছুদিন আগেই ভারতে প্রবেশ করেছিল।