বিজেপি(BJP) নেতাদের ঘৃণামূলক বক্তৃতা ফেসবুক বাড়াই। ফেসবুক আর হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ন্ত্রণ করে বিজেপি(BJP) সরকার। কিছুদিন আগে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল একটি পোস্ট এসেছিল যেখানে বলেছিল ফেসবুক বিজেপির মত করে চলেন।এরপর ভারতের প্রায় নেতা রাহুল গান্ধী এটি নিয়ে টুইট করেন আর তিনি কোশ্চেন দাঁড় করান। এই নিয়ে খুব রাজনীতি শুরু হয়েছে। এইসব আরব নিয়ে ফেসবুক এখন সতর্ক হয়ে গেছে।

এখন আমেরিকাতে রাষ্ট্রপতি ভোটের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে এর ফলে ফেসবুক খুব সতর্ক হয়ে গেছে। ফেসবুকের মুখ্য প্রচারক অফিসার বলেছে আগে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প পোস্ট ঘৃণামূলক হয় আর মিথ্যা খবর হয় এটি হবে কোম্পানির নীতির উলংঘন তাহলে ওনার পোস্ট সরিয়ে হবে।

3 নভেম্বর থেকে আমেরিকাতে রাষ্ট্রপতি ভোটের জন্য ভোট প্রদান করা হবে। এর আগে ফেসবুক বা ওয়াটস অ্যাপ এর মাধ্যমে কেউ মিথ্যা খবর চালাই আর মিথ্যা খবর নাচলে এর জন্য ফেসবুক অনেকগুলো কদম উঠাচ্ছে । ফেসবুক মঙ্গলবারে একটি পত্র বের কম্পানি ঘৃণা মূলক কথা মিথ্যা খবর এই সব সরিয়ে নেও হবে ফেসবুক থেকে যা ডোনালট্রাম এর পোস্ট হোক নাকি। ফেসবুক একটি নতুন সেবা শুরু করেছেন কোন ইউজার যদি ভোট নিয়ে কথা বলে তারপরে একটি তাকে নোটিফিকেশন দেওয়া হবে যা প্রথম একটি নির্দেশ দেওয়া হবে যা বলবে আগামী ভোটের জন্য সুনিশ্চিত করে। এনেবেল টি হবে যেমন করোনা ভাইরাসের সময় হয়েছিল তেমনি এই জিনিস এখন ভোটের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে যায় এটি 100 কোটিরও বেশি দেখা হয়েছে। লেবেলে লেখা থাকবে ভোটের অধিকারী ও কোন নতুন তথ্য আসে তাহলে যেখানে ভোট না হবে সেখানে যান।

আবার ফেসবুক এই ভোটের প্রক্রিয়া চলাকালীন তার অডিট এক বাইরের থেকে বেসরকারি কোম্পানির হাতে দিয়ে করাবে। আর এই রিপোর্টটি তারক কনটেন্ট নীতির নাম্বার সংখ্যা হিসাবে দেখা বে। ফেসবুকে দিক থেকে পরিষ্কারভাবে বলে দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রপতি ও আমাদের ঘৃণা মুলক নিয়মের উলংঘন করে বা করোনাভাইরাস নিয়ে ভুল কথা বলে তাহলে এইসব গুলো সরিয়ে নেয়া হবে।

এর আগের সপ্তাহে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি পোস্ট সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল টুইটার থেকে যেখানে বলছিল করোনাভাইরাস থেকে বাচ্চা ছেলেরা সুরক্ষা রয়েছে এই পোস্টটি ভুল খবর হিসাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফেসবুক তার ফেসবুক প্ল্যাটফর্ম এর জন্য 12টি আর  ইন্সটাগ্রাম এর জন্য দশটি রকম এর নিয়ম রেখেছে যা তারা দেখতে থাকে।এর মধ্যে রয়েছে কাউকে অনলাইনে ধুমকি দেখা নেই জালানো ঘৃণা মূলক কথা আতংবাদি সংগঠন আর হিংসা মুলক কথা এই নিয়মের মধ্যে রয়েছে।

এই ফেসবুক কিছুদিন আগে টুইটারের আলোচনা করেছিল যে কিছুদিন আগে আমেরিকার রাষ্ট্রপতির টুইট এর প্যাক চেক করে সেটিকে মিথ্যা প্রমাণ করে।

এরপরে মার্ক জুকারবার্গ বলেছিল আমার মানা হয় ফেসবুক মানুষের দ্বারা অনলাইন প্লাটফর্ম এ প্রত্যেক কথায় নাই কর্তা হতে হবে না, আমাদের ইউজার পলিসি টুইটার থেকে অনেক আলাদা বেসরকারি কোম্পানি দের এইসব করা উচিত নয়। 

এরপর টুইটারের সিইও ও মালিক বলে। টুইটারের সিইও বলে উনার প্ল্যাটফর্ম ইউজার দ্বারা ভোটের নিয়ে কথা নিয়ে কোনো মিথ্যা খবর বা ঘৃণামূলক হয় জানিয়ে তারা ফ্যাক্ট চেক করে আমাদের মূলকথা যে কথা বলে তার সত্যতা আনা এরপরের লোক সেটিকে দেখে সে কথাটি সত্য না মিথ্যা আমাদের জন্য পারদর্শিতা প্রথম স্থানে রয়েছে।

এরপরে ফেসবুক সেই রাস্তায় চলেছে যে শিক্ষা টুইটার কিছুদিন আগে দিয়েছে তা এখন ফেসবুক অনুকরণ করবে।