ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জে শঙ্কর বলেছে ভারত টাকা দেবে বৃহত্তম মালে এর একটি ব্রীজ এর জন্য এখানে মানে বলতে বোঝানো হচ্ছে মালদ্বীপের রাজধানী কে। এখানে 400 মিলিয়ন ডলারের লাইন অফ ক্রেডিট দেবে ভারত আর 100 মিলিয়ন টাকা দেবে মালদ্বীপ কে।

এটি 6.7 কিলোমিটারের একটি ব্রিজ হবে। এটি মালে দ্বীপ থেকে আরেকটি বন্দর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করার জন্য আর তাদের ব্যবসায়িক একটি জন রয়েছে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য।

লাইন অফ ক্রেডিট কি? 

লাইন অফ ক্রেডিট হলো এক ধরনের খুব সস্তা লোন যেখানে শুধু খুব অল্প পরিমাণে সুদ দিতে হয় আরে টাকা ঘুরিয়ে দেওয়ার সময় চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগে। এখানে লাইন অফ ক্রেডিটে আরেকটা জিনিস রয়েছে কোন এক দেশ লাইন অফ ক্রেডিট কোন দেশকে দেয় তাহলে তাকে বলতে পারে আপনি যে পকল্প তৈরি করবে তাহলে তাকে বলবে যে সব কাঁচামাল লাগবে যেন তাঁর দেশ থেকে কেনা হয়। এর ফলে যে দেশ লাইন অফ ক্রেডিট দেবে সে দেশের প্রায় 75 পার্সেন্ট এর বেশ সময় তার দেশে বিজনেস আবার ঘুরে আসবে।

এরপরে 100 মিলিয়ন ডলার বা 750 কোটি টাকা মত অনুদান দেবে ভারত সরকার। এই টাকা শুধু মালদ্বীপকে দেওয়া হবে আর এই টাকা ভারত সরকার কে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে না। আবারো যে 400 মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে সেটি মালদ্বীপ সরকার কে ভারত সরকারকে দিতে হবে।

এখনকার মালদ্বীপের যে রাষ্ট্রপতি রয়েছে ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলি তার আগে যে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ছিল আবদুল্লাহ ইয়ামিন সে খুবই চীনের দিকে ছিল আর ভারতের বিরুদ্ধে ছিল এর ফলে আবদুল্লাহ ইয়ামিন মালদ্বীপের কে চীনের ঋণে ডুবিয়ে দিয়ে দিয়েছিল। এরপরে যে রাষ্ট্রপতি আছে ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলি বলে এই মালদ্বীপ বৃহত্তম সংযোগ প্রকল্প তিনি যাওয়ার আগে এটি পূরণ করে যাবে আর ঋণের তলায় না যে। তাই তিনি খুব সাবধানে চীনের ঋণ না নিয়ে উনি দেখেছেন ভারতের ঋণকে আরো ভারতের তাকে এই সুবিধা দিচ্ছে যে তাকে ঋণের ঢুকতে হবে না।

চীন 2018 মধ্যে মালদ্বীপকে লোন দিয়েছিল প্রায় 2 বিলিয়ন ডলার।এই দেখে মনে হচ্ছিল যে শ্রীলঙ্কা যে ভাবে তার একটি বন্দর হারিয়েছিল চীনের ঋণের জন্য সেই জিনিস আবার মালদ্বীপ সঙ্গে না হয় মালদ্বীপ এর একটি দ্বীপ না হারিয়ে ফেলে। এই দেখে ভারত-মালদ্বীপ কে সাহায্যের হাত বাড়ান আর ভারত ঋণ দিয়েছে মালদ্বীপকে প্রায়ই 2018 সাল থেকে 2 বিলিয়ন ডলারের মতো যা 15 হাজার কোটি টাকার মতন।