বর্তমান আফগানিস্তানের এখন হিন্দু আর সিখ অনেক কম বাস করছে। আফগানিস্তানে 700 জন সিখ ভারতের এর  রাজদূত কাছে তাদের নাম লিখেছ যে তারা আফগানিস্তান ছেড়ে ভারতে আসতে চাই। এদের মধ্যে প্রথম বিভাগ ভারতে চলে এসেছে। এদের মধ্যে নীতিন সিং ও রয়েছে। এখন তাদের ভারতের নাগরিকত্ব দেবে ভারত সরকার। এরা যদি আফগানিস্থানে থাকে তাহলে এদের ওপর হামলা চলতে থাকবে।ভারত সরকার যেভাবে আফগানিস্তানের সংখ্যালঘুদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে তাতে আন্তর্জাতিক দিক থেকে তাদের সহানুভূতি দিচ্ছে।

আফগানিস্থানে 99.97% ইসলাম ধর্ম পালন করে আর 0.3% অন্যান্য ধর্ম পালন করে যার মধ্যে হিন্দু,সিখ খ্রিস্টান ও রয়েছে। আফগানিস্তানে হিন্দু সংখ্যা প্রায় 1000 জন আর 700 জনের মত সিখ হয়েছে।

যখন থেকে ডোনাল ট্রাম বলেছে যে তাদের আর্মি আফগানিস্তান থেকে বের করবে তখন থেকেই দেখছি যে সেখানে সংখ্যালঘু দের ধর্ম স্থানে হামলা চালছে।

এখন ভারত সরকার আফগানিস্থান সরকারের সঙ্গে এক হয়ে আফগানিস্থান থেকে সংখ্যালঘুদের বের করার চেষ্টা করছে।

বর্তমানে এখন তাদেরকে ভারতের কিভাবে নাগরিক  তা কি দেওয়া হবে। মনে হয় এদেরকে CAA দ্বারা তাদেরকে নাগরিক তা দেওয়া হবে।কিন্তু ভারত সরকার এখন পর্যন্ত কিছু বলেন নি তাদেরকে কিভাবে ভারতের নাগরিকতা দেওয়া হবে।

তাহলে এইসবের দায়ী কে?

যখন এইসব সংখ্যালঘু আফগানিস্তান থেকে বের হয় তখন তালিবান বলেছে।

তালিবান: “আমরা হতাশ হয়েছি যে তারা চলে যাচ্ছে। আমরা মনে করি না যে তারা দেশ ছাড়ার সমাধান, তবে আমরা বুঝতে পারি যে চলমান সংঘর্ষে সমস্ত আফগানকে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। গুরুদ্বারায় হামলা আইএসআইএসের কুফল ছিল এবং আমরা এর নিন্দা করুন। এছাড়াও, আমরা পোকটিয়ায় অপহরণ করা তাদের নেত্রীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি।আমাদের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলে সংখ্যালঘুদের সমান অধিকার দেওয়া হয় স্বাধীনতা।

তালিবান নয় তো কে?

ইসলামিক রাষ্ট্র ইরাক এবং লেভেন্ট – খোরাসান প্রদেশ

খোরসান গ্রুপের মূল তৎপরতা পূর্ব আফগানিস্তান উত্তর পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে, তবে এর কার্যক্রমের ক্ষেত্রে তাজিকিস্তান এবং ভারতের অন্যান্য অংশও অন্তর্ভুক্ত যেখানে ব্যক্তিরা এটির সাথে আনুগত্যের অঙ্গীকার করেছে।