এই মহাবিশ্বে একটিমাত্র শক্তির উৎস হল সূর্য। পৃথিবীতে যখন সূর্যের আলো পড়ে আর আরেকদিকে অন্ধকার থাকে এর ফলে সূর্যের আলো আমরা ভালো করে ব্যবহার করতে পারি না। এর জন্য ভারতের একটি বিশাল পরিকল্পনা রয়েছে একটি সূর্য একটি বিশ্ব একটি গ্রিট এখানে গ্রিট বুঝাতে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সারাবিশ্ব ইলেকট্রিক সিটি পাবে।যখন আফ্রিকা মহাদেশ সে দিন থাকবে আর ভারত এরা থাকবে তখন আফ্রিকা মহাদেশের সোলার প্যানেল লাগিয়ে ইলেকট্রিসিটি তৈরি করবে সেগুলো ভারতে পাঠাবে এই হল এই পরিকল্পনার।

একটি সূর্য একটি বিশ্ব একটি গ্রিট এই ধারণা দিয়েছিল 2018 সালে। এই ধারণাটি প্রথম ইন্টারন্যাশনাল সোলার এলাইন্স এর বৈঠকের সময় দেওয়া হয়েছিল এটির স্থান ছিল নিউ দিল্লি। কিন্তু এই ধরনের ধারণা পৃথিবীতে অনেক দেশ শুরু করেছে।

এটির ধারণা যে ইলেকট্রিসিটি এক দেশ থেকে আরেক দেশে পাঠানো হবে। আর যদি সমুদ্র থাকে তাহলে সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে তার বিছানা হবে সেখানে ইলেকট্রিসিটি দেওয়া হবে।

এটা একটা এত বড় পরিকল্পনা যে অনেক টাকা খরচ হবে যেমন 30 থেকে 40 বিলিয়ন ডলারেরও বেশি একটা দেশ থেকে আরেক দেশে যোগাযোগ স্থাপন করার জন্য। এর ফলে ভারতের গুরুত্ব বিশ্বে বেড়ে যাবে।ভারতের রি এনার্জি এনার্জি মিনিস্ট্রি এর জন্য পরিকল্পনা শুরু করেছে। ভারতের পরিকল্পনা যে একটি গ্রেড এর মধ্যেমে 140 টি দেশ কে যোগ করবে।

ভারতের প্রাথমিক পরিকল্পনা হলো ভারত পৃথিবী কে দুই ভাগে ভাগ কড়বে পূর্ব ও পশ্চিম ভাগ।

এই ধরনের পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়া শুরু করে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া তার সোলার এনার্জি তৈরি করে আশিয়ান দেশকে বিক্রি করবে। কিন্তু  ভারতের কাছে সুবিধা রয়েছে তার ভৌগোলিক এর কারণে।ভারত খুবই কাছে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে মেডেলিস্ট দেশের আশিয়ান দেশের কাজ ও ইউরোপ মহাদেশের কাছে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া ভৌগোলিক দিক থেকে এই মহাদেশ গুলি থেকে অনেক দূরে ফলে ভারতের কাছে অনেক সুবিধা রয়েছে। এই পরিকল্পনা যদি সফল হয় তাহলে ভারতের কাছে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা আসবে।