আজকে আমরা বলব যে ভারত কতখানি তৈরি চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ হলে।

29 শে জুলাই প্রথম পাঁচটি রাফায়েল যুদ্ধবিমান আম্বালা বিমান বাহিনীর তে নেমেছে যা হরিয়ানা তে অবস্থিত। 36 টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান এরমধ্যে যা শুধু পাঁচটি ভারতে এসেছে, আর ভারত চার বছর আগে ফ্রান্স থেকে কিনতে রাজি হয়েছে আর এখনও 2-3 বছরের মধ্যে যতসব রাফায়েল যুদ্ধবিমান ভারত ভারতের আদেশ দিয়েছে তা সবই চলে আসবে। এর ফলে ভারতের বিমান বাহিনী ও ভারতের সাধারণ মানুষের খুবই খুশি হয়েছে।

ভারতের বিমান বাহিনীর সৈন 2000 সালে ভারত সরকার কে বলেছিল যে তাদের যুদ্ধবিমান এখন বুড়ো হয়ে যাচ্ছে। আর তখন বলা হয়েছিল 126 টি যুদ্ধবিমান তাদেরকে চাই। 2000 সালের পর ভারতের বিমান বাহিনীর শক্তি ছিল 39.5 শক্তিশালী দল আর একটি শক্তিশালী দল বুঝাতে 18 টি যুদ্ধবিমান। আর তখন যদি বিমান সৈন্যরা যে বিমান বলে কিনতে বলা হয়েছিল সেগুলো চলে আসে 2015 মধ্যে MIG-27 আর JAGUAR তার ফলে তাদেরকে ঠিক সময়ে বিলম্বিত করা যেত নতুনদের তার সঙ্গেই যোগদান দেওয়া হতো।

2012 সালে ঘোষণা করা হয় যে ইউরোফাইটার টাইফুন কেনা হবেনা এর বদল কেনা হবে দ্যাসল্ট কোম্পানির রাফায়েল যুদ্ধবিমান। এর কারণ কি এর খরচাও অনেক কম, রাফায়েল বিমানের এয়ারটেলের খরচাও অনেক কম, আর সহজ ব্যবহারযোগ্য তাই রাসেল কোম্পানিকে এই বিমানের অর্ডার দেওয়া হয়।

সুখোই-30MKI এটি রাশিয়ার বিমান কিন্তু এটি ভারত তে তৈরি হয় যা তৈরি করে হিন্দুস্থান অ্যারোনেটিক লিমিটেড। তখনকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মনোহর পারিকার বলেছিল আমাদেরকে সুখোই বিমান কে রাফায়েল বিমানের বিকল্প হিসাবে দেখতে হবে। তখনকার এয়ার চিফ মার্শাল অরূপ সাহা সুখোই বিমানের এর থেকে রাফায়েল বিমান বেশি ভালো বলেছিলেন।

এরপরে কথা আছে 2015 সালে যখন নারেন্দ্র মদি বলেছিল সমালোচনামূলক অপারেশন প্রয়োজনীয়তা হিসেবে আজকে আমাদেরকে 36 রাফায়েল বিমান কিনতে হবে।

2015 সালে মনোহর পারিকর রাজ্যসভায় বলে তাদেরকে খুব তাড়াতাড়ি যুদ্ধবিমান চাই আর সেটি হবে রাফায়েল আগে 126 টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান এর অর্ডার এর কথা হয়েছিল কিন্তু সেটাকে বদলে এখন 36 টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান এর অর্ডার দেওয়া হয়েছে। যা আসবে 2019 থেকে 2022 পর্যন্ত প্রত্যেকটি ধাপে ধাপে। কিন্তু 2019 এর কথা বলা হয়েছিল কিন্তু তা এসেছে 2020 সালে কিন্তু তাও এসেছে খুব জরুরী সময়ে যখন চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে চিন্তা বা টেনশনের সময়।

2019 সালের 27 শে ডিসেম্বর আমাদের mig-27 অবসর গ্রহণ করেছে, 6 টি জাগুয়ার দল যা প্রায়ই 108 বিমান একসঙ্গে 2020 সালে অবসর করবে। আর 2021 সালে অবসর নিবে মিগ-21 প্রায় 6 টি দল যা 108 টি বিমান হয়।

এত তাড়াতাড়ি যদি আমাদের বিমানগুলো অবসর নিতে থাকে তাহলে আমাদেরকে খুব তাড়াতাড়ি বিমানগুলো কিন্তু হবে কিন্তু তার স্বত্তেও খুব আস্তে আস্তে আমাদের বিমান কিনা হচ্ছে। এর ফলে পরবর্তী সমস্যা ভারতকে দাঁড়াতে হবে। 2032 সালে প্রায় 22 টি দল থাকবে ভারতের বিমান বাহিনীর কাছে। এখানে কথা হচ্ছে যে অনেক দেশের বিমানের এর দল বাড়ে কিন্তু ভারতের কমতে থাকবে যদি এই স্পিডে ভারত বিমান কিনতে থাকে তাহলে। বিশেষজ্ঞ অনুসারে যদি আমাদেরকে দুই দিক থেকেই যুদ্ধ করতে হয় চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে তাহলে ভারতকে প্রায় 42 টি যুদ্ধবিমানের দল গঠন করতে হবে।

যদি এভাবে ভারতের বিমান কেনার গাফিলতি থাকে তাহলে অনেক দেশ এটি একটি তাদের সুযোগ দেবে ভারত কে আক্রমণ করার।

এরপরে আসি রাফাল বিমানের খরচের উপর। 2007 সালে যখন এর খরচ বলা হয়েছিল তখন প্রায় 12 বিলিয়ন ডলার আর তখন 126 টি বিমানের কথা বলা হয়েছিল। আবার 2014 সালে যখন আবার এই চুক্তিকে দেখা হয় তখন বিমানের দাম বেড়ে দাঁড়ায় 100% বেশি। 126 টি বিমানের দাম হয় প্রায় 28 থেকে 30 বিলিয়ন ডলার। এরপর 126 টি বিমানের বদলে 36 টি রাফাল বিমানের করার দাম লাগিয়েছিল প্রায়ই 9.4 বিলিয়ন ডলার। এর ফলে যা দেখায় আমাদেরকে ভারতের যতগুলো বিমান দরকার তার থেকে অনেক কম কেনা হচ্ছে বা দেরি হচ্ছে। যায় এটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে ভবিষ্যতের জন্য।

রাফায়েল বিমান পৃথিবীতে বেশি ব্যবহার করেনা। শুধু ব্যবহার করে ফ্রান্স, ভারত, কাতার ও ইজিপ্ট যা ব্যবহার করে খুব অল্প পরিমাণে দল রয়েছে তাদের কাছে। তারা রাখালের বিমানের ওপর খুব একটা ভরসা করে না।

অনেক বিশেষজ্ঞরা ভারতের রাফায়েল বিমান এর সঙ্গে চাইনিজ j-16 সঙ্গে তুলনা করে। চাইনিজ j-16 হলো রাশিয়ার তৈরি সুখোই বিমানের নকল।

ভারতের এখনো কূটনৈতিক চীনের দিক থেকে অনেক খারাপ। ভারতের অভ্যাস যে তারা দেরি করে কোন অস্ত্র কিনবে আর ইতিহাস দেখে কিছু শিখতে পারে না ভারত ভাবে তার বন্ধু হল চীন কিন্তু চিন্তা ভাবনা। ইতিহাসের ভারত হাজার 1962 সালে যুদ্ধে ভারত হেরে ছিল কিন্তু তা থেকে ভারত কিছু শিখতে। সবসময় ভারত-চীন কে খুশি করার দিকে থাকে কিন্তু চিন্তা ভাবে না চীন শুধু ভাবে তার নিজের।

 চীন চাই শুধু এশিয়ার একটাই অর্থনৈতিক পাওয়ার সেটি হবে চীন। কিন্তু ভারত চাই এশিয়ার মধ্যে অনেকগুলো শক্তিশালী দেশ হয় যেমন চীন জাপান সাউথ কোরিয়া কিন্তু চীনের বিপরীত দিকে।এর ফলে বুঝা যাচ্ছে যে ভারতের কোন পলিটিক্যাল নজর নাই শুধু চাই তাদের গদি। 

এর ফলে বুঝা যায় যে রাফায়েল বিমান আসার ফলে ভারত কত খুশি হতে হবে না যা ভারত কে তৈরি হতে হবে আগের জন্য। ভারতকে বেশি বেশি করে অস্ত্র কিনতে হবে আর টাকার দিক থেকে সস্তা করতে হবে। আর কূটনৈতিক দিক থেকেও ভারতকে তিখনো হতে হবে।

আসন্ন দশকের জন্য ভারত অপ্রস্তুত, যা একটি বিশ্বকে সাক্ষী করবে উত্থানযাত্রা এবং যেখানে জাতীয় সুরক্ষা সংস্থান এবং মানব পুঁজির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দাবি করবে।