এই খবর কি বর্তমানে আসে যখন প্রধানমন্ত্রী ভারতের স্বাধীনতা দিবসের দিন বলেন একটি কমিটিও বসান বলেন মেয়েদের বিয়ে ন্যূনতম বয়সের উপর। আর এই কমিটির অপর কেন্দ্র সরকার বিচার করবে।

ভারতে অনেকগুলো বিয়ে নিয়ম রয়েছে ছেলেদের ন্যূনতম বিয়ের 21বয়স আর মেয়েদের নূন্যতম বয়স 18 বছর। আর ভারতে অনেকগুলো নিয়ম রয়েছে যেগুলোতে বলে পরিপক্ক বলে গ্রহণ তারা নিজের রাই নিজের নিতে পারে 18 বছর বয়সে পর থেকে।18 বছর বয়সের ছেলে মেয়েরা নিজেরাই নিজে নিতে পারে কিন্তু বিয়ের বয়স হয়েছে আলাদা আলাদা।

এই কমিটি কি।

দুই হাজার কুড়ি 21 এর আর্থিক বাজেটের ঘোষণার সময় নির্মলা সীতারামন বলেছিলেন একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে যেখানে দেখা হবে মেয়েদের ও ছেলেদের বয়স কত হওয়া যেতে পারে। এটি একটি উচ্চতর কমিটির গঠন করেছিল। এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল ওমেন এন্ড চাইল্ড এ্যাক্ট হিসাবে আরে কমিটির চেয়ারম্যান হলো জেয়া জেটলি আর বিকে পাল হলো নীতি আয়োগ এর একটি সদস্য। এর সঙ্গে রয়েছে মিনিস্ট্রি অফ হেলথ মিনিস্ট্রি অফ চাইল্ড এন্ড ওম্যান এবং এডুকেশন আরো অন্যান্য মিনিস্টারী থেকে অনেক মেম্বার রয়েছে।

এই কমিটির প্রাথমিক কাজ হল একজন মেয়েকে মা হওয়ার বয়স কত হলে ভালো হয়। তাদের আত্মীয় কাজ হল কতো মেয়ে বাচ্চা দিতে যে মারা যায়। এনাদের কাজ হলো মেয়েদের বিয়ে শারীরিক অবস্থার জন্য ও বাচ্চাদের ওপর । 

ইতিহাস মেয়েদের বিয়ের ব্যাপারে: 

ইতিহাসের ভারতের বিয়ের কোনো বয়স এর বাধা ছিল না। 1860 সালে ব্রিটিশ সরকার ইন্ডিয়ান পেনাল কোডে একটি সেকশনে লেখেন শারীরিক সম্বন্ধ জন্য একটা বয়স হলো 10 বছর বয়সে। 1891 সালে এজ অফ কন্সেন্ট অ্যাক্ট নিয়ে আসা হয়েছে এটি 10 বছরের বদল করে 12 বছর করা হলো কোন মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্বন্ধ করার জন্য এই একটি নিয়ে আসে ছিল ব্রিটিশ সরকার। আবার 1927 সালে ম্যারেজ অ্যাক্ট নিয়ে আসে মেয়েদের জন্য কোনো মেয়ের যদি 12 বছরের নিচে বিয়ে হয় তাহলে সেই বিয়ে অমান্য করা হবে। সারদা অ্যাক্ট 1929 সালে নিয়েছিল ব্রিটিশ সরকার তখন বলে মেয়েদের বিয়ে বিয়ে হবে 14 বছর বয়সে আর ছেলেদের বয়স হবে 18 বছর বয়সে।

হিন্দু বিয়ে অ্যাক্ট 1958 নিয়ে আসে তখন ছেলেদের বিবাহ বয়স হল 21 আর মেয়েদের বিবাহ বয়স হল 18। ভারতে 1978 সালে সারদা অ্যাক্ট আবার নতুনভাবে নিয়ে এসে হলো ছেলেদের জন্য 21 আর মেয়েদের জন 18 বছর বয়স করা হলো। তার সত্বেও ভারতে বাল্যবিবাহ কমেনি কারণ ভারতে বাল্যবিবাহ করার অপরাধে কোন বড় জরিমানা নেই।

2006 সালে বাল্যবিবাহ অ্যাক্ট নিয়ে আসা হয় বাল্যবিবাহ একেবারেই বন্ধ করা হলো আর যদি দেওয়া হয় তাহলে তাকে দুই বছরের জেল হবে আর এক লাখ টাকার জরিমানা হবে আর এখানে ভালো করে বিবাহ বয়সের দেওয়া আছে ছেলেদের জন্য 21 বছর আর মেয়েদের জন্য 18 বছর করে দেওয়া হয়েছে।

ভারতে বিবাহের চলে ধার্মিক হিসাবে। আর আমরা সেটাকে নিয়ে আসছি। ভারতের আইন কমিটি বলেছে আমাদেরকে লিঙ্গ নিরপেক্ষতা আনতে হবে। এর ফলে সামাজিক এ ছেলেমেয়েদের মধ্যে ভাবনা-চিন্তার পরিবর্তন হয় যে মেয়েদেরকে বিয়ে করতে হবে তাড়াতাড়ি ও ছেলেদেরকে বিয়ে করতে হবে দেরি করে। তখন একটি ছেলে বিয়ে করবে একটি যুবতী মেয়েকে না কোন তার সমান বয়স মেয়ে কে। তার জন্য আইন কমিশন লিঙ্গ নিরপেক্ষতা আনতে বলেছে। লিঙ্গ নিরপেক্ষতা কমিটি বলেছে ছেলেমেয়েদের বয়সও একদম সমান করে যেন হয় আর ছেলে ও মেয়ে 18 বছর যেন করা।

আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসারে কমেডি অফ এলিমিনেশন এন্ড দিস্ক্রিমিনেশন এগেইনস্ট উইমেন একদম পরিষ্কারভাবে বলে যে ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে পার্থক্য দেখায় সেই আইন বাদ দেওয়া দরকার। 

মেয়েদের খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হয়ে যায় তাহলে শারীরিকভাবে কি পরিবর্তন দেখা দিতে পারে ,অযাচিত গর্ভাবস্থা হতে পারে গর্ভ অবস্থায় তাদের ঝুকি বেড়ে যেতে পারে আর মারাও যেতে পারে কম বয়সে হলো এইচআইভি হতে পারে আর মেয়েদের কম বয়সে বিয়ে দেওয়া হলে তাদের শিক্ষা ভালো করে হয়না আর অন্যান্য সুবিধা থেকে বিরত থাকে। ইউনিসেফ এর হিসাবে ভারতে প্রায় 15 লাখের বেশি 18 বছর বয়সের নিচে বিয়ে করে। 15 থেকে 19 বছর বয়সের মধ্যে 2000 সালে মারা গেছিল বাচ্চা হতে 1 লাখ এর মত আর 2017 সালের রিপোর্ট বলে প্রায় 35 হাজার মেয়ে বাচ্চা হতে গিয়ে মারা যায়।

2017 সালে পাবলিকেশন ইন্টারেস্ট লিটিগেশন বাপ্পি এল ফাইল করেছিল আসেনি উপাধ্যায়। তার মতে ভারতের সংবিধানের সঙ্গে বিবাহ বর্ষের সমান অধিকার থাকা দরকার আর তিনি বলেন আর্টিকেল 14 ও 21 এটি অমান্য করে। দিল্লি হাইকোর্ট বর্তমানে নোটিশ ফাইল করে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার কে আইন কমিশন অফ ইন্ডিয়া কে ও।

আন্তর্জাতিক এদিকে দেখি কোন দেশ কত বয়সে বিয়ের অনুমতি দেয়। প্রথমে আমেরিকা ছেলে ও মেয়েকে বিয়ে করার বয়স হলো 18 বছর। ইউনাইটেড কিংডম ছেলে মেয়েকে বিয়ে করার প্রাথমিক বয়স হলো 18 বছর। ব্রাজিল এর দুজনেরই বিয়ে করার বয়স হলো 18 বছর।জাপানের রয়েছে মেয়েদের জন্য 16 বছর আর ছেলেদের জন্য 18 বছর কিন্তু যদি তারা কুড়ি বছরের আগে বিয়ে করে তাহলে বাবা মায়ের অনুমতি নিতে হবে।পাকিস্তানের মেয়েদের বয়স 16 বছর ও ছেলেদের বয়স 18 বছর পরে বিয়ে করতে পারে। আর ইরানে মেয়েদের জন্য 13 বছর ও ছেলেদের জন্য 15 বছর বয়সে তারা বিয়ে করতে পারে।