ইরানের রহস্যময় বিস্ফোরণে রয়েছে এই বিস্ফোরগুলো এমন জায়গায় হচ্ছে যে ইরানের নিউক্লিয় প্রোগ্রাম আসতে করার জন্য। এখানে বিতর্কিত যে এইসব বিস্ফোরণের পেছনে রয়েছে ইজরাইলের হাত। দেখা যায় যে এখানে কি ইসরাইলের হাত আছে কি।

2010 সালে সাইবার আক্রমণের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে। ইরানের নিউক্লিয় প্রোগ্রামের ওপর।

খবর এসেছে যে, বুশাহর (Bushehr) শহরে, জাহাজের উপরে রহস্যময় বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে।15 জুলাই বুশাহর শহরের সাতটি জাহাজে বিস্ফোরণ হয়েছে। iran সরকার বলছে এখানে কোন ধরনের মানুষের মৃত্যু হয়নি।

বুশহর পারস্য উপসাগরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দর।একটি মধ্য উপকূলীয় রাস্তাটি বুশেরহরকে দক্ষিণ-পূর্বের বান্দর-ই আব্বাসের সাথে সংযুক্ত করে।বুশহর পোর্টফায়ার ইরানের সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে একের পর এক রহস্যময় ঘটনার সর্বশেষতম ঘটনা।

এর বাদে কোথায় কোথায় ইরানে বিস্ফোরণ হয়েছে তা দেখি—

প্রথমে নাতাঞ্জ পারমাণবিক শক্তিতে। এটি একটি ইরানের বড় পারমাণবিক শক্তির মধ্যে একটি, কিছুদিন আগে আগুন লেগেছে। এই পারমাণবিক শক্তি ভূগর্ভের মধ্যে অবস্থিত। প্রথমে ইরান বলেছে এখানে ছোট ধরনের আগুন লেগেছে কিন্তু তার পরে বলছে যে সেখানে আগুন খুব গুরুতরভাবে লেগেছে। নাতাঞ্জ অবস্থিত 30 কিলোমিটারের মধ্যে একটি শহর ওহাইও রয়েছে।

বর্তমানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য এটি ইরানের কেন্দ্রীয় সুবিধা হিসাবে স্বীকৃত এবং বর্তমানে বর্তমানে ব্যবহৃত 19,000 টিরও বেশি গ্যাসের সেন্ট্রিফিউজ রয়েছে। এবং তাদের প্রায় অর্ধেককে ইউরেনিয়াম হেক্সাফ্লোরাইড খাওয়ানো হচ্ছে।একটি গ্যাস সেন্ট্রিফিউজ এমন একটি ডিভাইস যা গ্যাসের আইসোটোপ পৃথককরণ করে। ইউরেনিয়াম 238 (238U) থেকে ইউরেনিয়াম -235 (235U) পৃথক করার জন্য গ্যাস সেন্ট্রিফিউজের বিশিষ্ট ব্যবহার

এরপর 5 এ জুলাই , নাতাঞ্জ এরমধ্যে পারমাণবিক প্রতিক্রিয়া ওপরে যে বিস্ফোরণ হয়েছে তার ফলে ইরানের পারমাণবিক প্রক্রিয়া দুই পা পিছিয়ে পড়েছে।

এরপর খোঁজার মিসাইল প্রোডাকশন কমপ্লেক্স (khojir missile production complex) এর মধ্যে বিস্ফোরণ হয়েছে।

এতো বিস্ফোরণ গুলোর ষড়যন্ত্রের পিছনে কে আছে– আরএএনডি কর্পোরেশনে সেন্টার ফর মিডিল ইস্ট পাবলিক পলিসির ডিরেক্টরের মতে, “ইরাকীয়দের টার্গেট করার জন্য ইস্রায়েলি পক্ষের উদ্দেশ্য প্রবর্তনের একটি প্যাটার্ন এবং একটি প্রসঙ্গ রয়েছে।”

ষড়যন্ত্র তত্ত্ব কি বলে– 2015-16 তে আমেরিকা আর ইরানের মধ্যে পারমাণবিক চুক্তি হয় যে ইরান তার পারমাণবিক প্রক্রিয়া গুলো বন্ধ করবেও আসতে করবে। কিন্তু 2018 সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে পড়েন এবং আমেরিকা ইরানের ওপর অনেকগুলো প্রতিবন্ধী লাগিয়ে দেই। এই চুক্তি থেকে ইরান বের হওয়ার পর তার পারমাণবিক প্রক্রিয়া খুব তাড়াতাড়ি এগিয়ে নিয়ে যায়।

করোনা ভাইরাস এর ফলে ইরান তার নিম্ন অবস্থায় অবস্থিত তাই, আমেরিকা ও ইসরাইলের পারমাণবিক প্রোগ্রামের ওপর হামলা চালায়। সবাই মনে করছে যে ইসলাইল সবের পিছনে রয়েছে।

ইরান সরকার বলেছে এইসব আগুন লাগানোর পিছনে রয়েছে সাইবার আক্রমণ কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আর ইজরাইল সরকারের মধ্যে দুইজন বলেছে যে ইসরাইল এর পিছনে রয়েছে কিন্তু কোনো প্রমাণ নাই।

ইরানের বড় নিরাপত্তা মানুষ বলেছে এর কারণ তারা বুঝতে পেরেছে কিন্তু এখন তারা আরো ভালো করে জানবে আর এখানে নিরাপত্তার সমস্যা রয়েছে তাই এখন তারা কিছুদিন পরে বলবে।

ইরান সরকার বলেছে যে যদি এটি সাইবার আক্রমণ হয় তাহলে এর ফলে যে দায়ী হবে তার ওপর খুব কড়া প্রতিক্রিয়া করবে।

স্টার্ট নেট সাইবার আক্রমণের পর ইরান তার পারমাণবিক প্রোগ্রাম চালু করে রেখেছে ও খুব তাড়াতাড়ি নিয়ে যাচ্ছে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছে ইরানে যা কিছু হবে সব ইসরাইল দায়ী না।

স্টাকসনেট একটি দূষিত কম্পিউটার কৃমি যা প্রথম ২০১০ সালে অনাবৃত হয়েছিল, ধারণা করা হয় কমপক্ষে ২০০৫ সাল থেকে এটির বিকাশ চলছে।

স্টাকসনেট তদারকি নিয়ন্ত্রণ এবং ডেটা অধিগ্রহণ (এসসিএডিএ) সিস্টেমকে টার্গেট করেছে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির যথেষ্ট ক্ষতি করার জন্য এটি দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

যদিও উভয় দেশই প্রকাশ্যে দায়িত্ব স্বীকার করেনি, এই কীটটি ইউনাইটেডের যৌথভাবে নির্মিত সাইবারওয়েজান হিসাবে ব্যাপকভাবে বোঝা যায় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইস্রায়েল।

2010 সালের স্টেট আক্রমণের পিছনে আমেরিকার কিছু সরকারি কর্মচারী বলেছে যে এটি আমেরিকা ও ইসরাইল করেছে এটি গোপন আদেশ রাষ্ট্রপতি ওবামা।

এখন যদি প্রমাণ হয় যে বর্তমান এই বিস্ফোরণের পিছনে ইসরাইল-আমেরিকার রয়েছে তাহলে প্রমাণিত হবে যে তারা ও করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে রয়েছে ইসরাইল পারমাণবিক শক্তির স্বীকৃতি পাওয়ার টি দেশ। তাই তারাই পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করতে।

আবার এখানে ইরান বলে যে তার পারমাণবিক প্রোগ্রাম কোন রকম উত্তেজনা সৃষ্টি করেনা ও এটি একটি শান্তিময় প্রোগ্রাম।

এখানে প্রমাণিত যদি হয় আমেরিকার এর পিছনে রয়েছে তার ফলে ইরান ও আমেরিকার সম্পর্ক আরো খারাপের দিকে এগিয়ে যাবে। আর এটা আন্তর্জাতিক দিক থেকে ভালো না