এর উত্তরে w.h.o. তার ওয়েবসাইটে মিট সেকশনে বলেছিল য়ে আজ পর্যন্ত এখনো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে মশার কামড়ের ফলে করোনা ভাইরাস হতে পারে।

করোনা ভাইরাস হলো রেসপিরেটরি ভাইরাস যা থুথু, কাশি, হাঁচি  থেকে বের হওয়া ছোট ছোট লাল এর কণা থেকে ছড়াতে পারে। কোন করোনাভাইরাস মানুষ হাঁচি বা কাশি ভাই তখন তার ছোট ছোট লাল আর কণাগুলো কোন মানুষের উপরে যে পড়লে তখন তাকে পুরনো ভাইরাস হতে পারে। এর জন্য আপনারা মাঝে মাঝে হাত দূরে থাকুন আর হাঁচি বা কাশি অলা মানুষ থেকে দূরে সরে থাকুন।

করোনা ভাইরাস মশার উপরে কোন প্রতিক্রিয়া করে না এটা গবেষণা বলে। ব্যবহারিক ভাবে বলা যায় না যে করোনা ভাইরাস মশা থেকে ছড়াতে পারে।

একটি ইউনিভার্সিটি রিসার্চের ভারতের তিন ধরনের মশার ওপর করেছে।

এই মশাগুলো নিয়ে ল্যাবে রাখা হয়েছিল এবং দেখা দেখা দেখা শোনা বলছিল যে এই মশাগুলো কি কোন ভাইরাস পাকিস্তান থেকে আলাদা স্থান বহন করতে পারেন। 

বৈজ্ঞানিকরা গবেষণা কেন্দ্রে তারা মশাগুলো কে অনেকভাবে চেষ্টা করেছিল যে কিভাবে মশা গুলোকে অনেক ভাবে ভাইরাসে কে সংক্রমণ করার চেষ্টা করছিল কিন্তু মশাগুলো সংক্রমণ হয়নি। মশা গুলোকে ভাইরাসের সংস্পর্শে রাখা হয়েছিল। তাও কোন কেস পাওয়া যায়নি এরপরে মশাগুলো এরমধ্যে সুই দিয়ে করোনা ভাইরাস ঢোকানো হয়েছিল তারপরও মশার মধ্যে কোন ভাইরাস পাওয়া যায়নি।

বৈজ্ঞানিকরা বলছে যে মশা দিয়ে কোন ভাইরাস ছড়ানো মুশকিল, কোন সংক্রমিত মানুষের কাছে মশাগুলো কামড়ায় তার সত্বেও করোনা ভাইরাস মশার মধ্যে বেঁচে থাকতে পারে না। এর ফলে কোন সংক্রমণ মানুষের কে কামড়ালে কোরোনা ভাইরাস আবার সম্ভাব্য অনেক কমে যায়।

এটি সাইন্টিফিক নেচার রিপোর্ট (nature) নামে ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা হয়েছে।

report:SARS-CoV-2 failure to infect or replicate in mosquitoes: an extreme challenge