Home প্রযুক্তি বৃহস্পতির(Jupiter) আগ্নেয়গিরি চাঁদ আইও(io moon) আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষক অন্বেষণ করার নাসা(NASA) মিশন

বৃহস্পতির(Jupiter) আগ্নেয়গিরি চাঁদ আইও(io moon) আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষক অন্বেষণ করার নাসা(NASA) মিশন

jupter io mission

যেমন পৃথিবীর একটি উপগ্রহ রয়েছে তেমনই অন্যান্য গ্রহের উপগ্রহ রয়েছে বৃহস্পতি এমন এক উদাহরণ বৃহস্পতি হলো আমাদের সোলার সিস্টেম এর সব থেকে বড় গ্রহ।

বৃহস্পতির প্রায় 79 টি উপগ্রহ রয়েছে। ভবিষ্যতে বৃহস্পতির উপগ্রহ বের হতে পারে। বৃহস্পতির কাছে প্রায়ই চারটি উপগ্রহ রয়েছে এগুলোকে বলা হয় গ্যালিলিয়ান উপগ্রহ এর মধ্যে প্রথমটি হলো ক্যালিস্ত, জ্ঞানী মি, ইউরোপা এবং আইও(io)। আইও হল এই উপগ্রহের মধ্যে সবথেকে বেশি উত্তেজনাপূর্ণ ও মানুষকে অনেক কিছু শিখাতে পারে এই উপগ্রহ থেকে। বিজ্ঞানীরা মনে করে আমাদের সৌরমন্ডলে সবথেকে উত্তেজনাপূর্ণ উপগ্রহ যেখানে রয়েছে আগনিয় গিরি লাভা মেঘমা এর নদী। আর এটি খুবই গরম উপগ্রহ ও একটি কঠিন উপগ্রহ।বৃহস্পতি গ্রহের কাছে সবথেকে কাছে উপগ্রহ হল এর আইও ফলে কাছে বৃহস্পতির খুব মধ্যাকর্ষণ শক্তির চাপ পড়ে। এর ফলে আইও উপগ্রহের আকৃতি পরিবর্তন করে। নাসা একটি আরো উপগ্রহ কে পর্যবেক্ষণ করার জন্য একটি মিশন পাঠাবে।

সূর্য থেকে বৃহস্পতির দূরত্ব 769.77 মিলিয়ন কিমি যা চারটি গ্রহের পিছনে 5 নম্বর স্থানে অবস্থান। বৃহস্পতির যে চারটি গ্যালিলিয়ান উপগ্রহ রয়েছে সেই চারটি উপগ্রহ তাদের একে অপরের থেকে একদম আলাদা তাই এত আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে । ইউরোপা উপগ্রহকে মনে করে এটি একটি সমুদ্র গ্রহ বিজ্ঞানীরা মনে করে তাতে অনেক বড় সমুদ্র রয়েছে সৌরজগতে  আর কোথাও জীবন থাকতে পারে তাহলে ইউরোপা তে থাকতে পারে যা এটি এখন পর্যন্ত প্রমাণিত হয়নি। আবার আইও(io) এর থেকে একদম আলাদা আইএমও না এখন অবস্থা যা পৃথিবীর এমন অবস্থা ছিল যখন পৃথিবী তৈরি হওয়ার প্রথম স্থানে রয়েছিল যা সব জায়গায় আগ্নেয়গিরি ফাটানো লাভা ও ম্যাগমা ইত্যাদি। নাসা কিছুদিন আগে ঘোষণা করেছিল কি ব্যাপার জন্য একটি নাসা মিশন পাঠাবে য়া নাসা ইউরোপা ক্রিপস মিশন।

এর অপারেশনের পর আরেকটি মিশন যেটি ঘোষণা করা হয়েছে সেটি হল আয়োগ ভলকানিক অবসর যায় এটি খুব সস্তা পৃথিবীর বাইরে মিশন পাঠানো হবে যা বৃহস্পতির একটি উপগ্রহের আইও কে পর্যবেক্ষণ করবে। যা দেখবে এখানে কেন এত আগ্নেয়গিরি ফাটছে নাগমা অবস্থা কেমন রয়েছে তা এই পর্যবেক্ষণ করবে। এই মিশ্রণে ক্যামেরা ও থাকবে যার ফলে আমরা আইওর ভালো করে ছবি দেখতে পাবো যা ভবিষ্যতে।

এটি একটি ঐতিহাসিক মিশন IVO যা এটি শুধুমাত্র অডিওর জন্য পাঠানো হবে। এই উপগ্রহের জন্য পৃথিবী থেকে কোন একটি মিশ্রণ পাঠানো হয়নি যা এটি প্রথম হবে।

বৈজ্ঞানিকরা আইও(io) কে পর্যবেক্ষণ করতে চাই পৃথিবীর প্রথম অবস্থা কেমন ছিল।

আরো পড়ুন: কিভাবে পৃথিবী তৈরি হয়েছিল

আরো পড়ুন: History of Earth

বৈজ্ঞানিকরা জানতে চাই এই ধরনের আচরণ কেন করছেন। আর আগ্নেয়গিরি কিভাবে ভেতর থেকে বাইরে আসছে লাভার অবস্থা কেমন রয়েছে।আবার আয়কে আমরা ভালো করে পর্যবেক্ষণ যদি করতে পারি তাহলে আমরা আরো বুধ বৃহস্পতি শুক্র পৃথিবী গ্রহ গুলি কে যেগুলো কিভাবে তৈরি হয়েছে।

পৃথিবীর উপগ্রহ হল চাঁদ আর চাঁদ কিভাবে তৈরি হয়েছিল কিভাবে সৌরগ্ৰহ তৈরি হয়েছে। আইও(io) কিভাবে শান্ত হবে আর এই শান্ত হওয়ার প্রক্রিয়া গুলি নাসা ধরে রাখতে চাই।

আইও(io) এত কেন আগ্নেয়গিরি দিয়ে ঘেরা কেননা 42 ঘণ্টার মধ্যে আয়তার আকৃতি পরিবর্তন করে যা বৃহস্পতি গ্রহের চুম্বকীয় শক্তির জন্য ও অন্যান্য উপগ্রহের টান এর ফলে।

আইও মিশন(io mission) নাসা(NASA) পাঠাবে 2028 বা 2029 সালের মধ্যে।আর বৃহস্পতির উপগ্রহ আই এর কাছে যেতে লাগবে প্রায় 3.5 বছর।

আই ও উপগ্রহের মধ্যে নাসার সবথেকে বেশি জিজ্ঞাসা রয়েছে লকে পাটেরা নামে জায়গা। এটি একটি বিশাল বড় হ্রদ রয়েছে এই ধরনের হ্রদ সৌরজগতে আর কোথাও দেখা যায়নি এমন এক হ্রদ যেখানে শুধু রয়েছে লাভা।

আইওকে পর্যবেক্ষণ করে বৈজ্ঞানিকরা জানবে পৃথিবী কি করে তৈরি হয়েছে।