তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পালানোর সমি বলেছেন তিনি এই তিন ভাষা শিক্ষা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিন ভাষার শিক্ষা যেটি সমর্থন করেছে করেছিল ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি 2020। তামিলনাড়ু মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন তারা দুই ল্যাঙ্গুয়েজে এখনো থাকবে সেটি হল তামিল ও ইংলিশ।

ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি 2020 কি বলে?

প্রথমে যেটা দিয়েছিলো 10+2 ক্লাস যায়া ফোন করেছে 5+3+3+4 ক্লাসে পরিবর্তন করে দিয়েছে। এখানে যে কোন ধরনের সাবজেক্ট নিতে পারে কোন স্ট্রিম বলে থাকবে না। আপনি আপনার মত করে সাবজেক্ট বেছে নিতে পারেন। এখানে বোর্ডিং পরীক্ষার ব্যবস্থা কে সরিয়ে দিয়েছে। দশ দিন ব্যাকলেস দিন বা ব্যাগ নিয়ে যেতে হবে না স্কুলে যেটি হবে শুধু ভোকেশনাল ক্লাস। আর এখানে তিনটি ভাষার সাবজেক্ট রয়েছে জটিল একটি বড় সমস্যা। এখানে আমেরিকার মতন সেট পরীক্ষা হবে। চার বছরের ব্যাচেলার ডিগ্রী হবে। আর কোন কলেজের অ্যাপ্লিকেশন থাকবে না কারণ ভারত সরকার চাই বিদেশের বড় বড় কলেজ যেন ভারতে প্রতিস্থাপন করে আর ভারতের কলেজ যেন বাইরে যাই।

এবার আসি তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক দিকে।

তামিলনাড়ু প্রথম দিক থেকেই হিন্দি ভাষার বিরুদ্ধে রয়েছে। আর সেই রাজনৈতিক এখনো চলে আসছে। তামিলনাড়ু সরকারের বিপরীতে রয়েছে ডিএমকে বলেছে এটি গণতান্ত্রিক বিরোধী। আর ভিসিকে পার্টি বলেছে নিউ এডুকেশন পলিসি হল রাজ্যের স্বায়ত্তশাসন কে ছিনিয়ে নেয়া হচ্ছে আর এটি গেরুয়া কালার করা হচ্ছে।

ডিএনসিসি বলেছে ভারত সরকার নতুন শিক্ষা নিয়ম সাম্প্রদায়িকতা করা হচ্ছে আর এটি গণতন্ত্রের ওপর একটি বিশাল বড় আঘাত।

কামাল হাসানের পার্টি বলেছে শিক্ষার উপর খরচ 6 পার্সেন্ট জিলিপি খুবই একটা ভালো দিক কিন্তু তিনি বললেন এই তিন ধরনের ভাষা এর বিরুদ্ধে রয়েছে।

1937 সাল থেকেই তামিলনাড়ু জনগণরা হিন্দি ভাষার বিরুদ্ধে রয়েছে। মহাতমা গানধী হিন্দি প্রচারক কমিটি বানিয়েছে যার উদ্দেশ্য ছিল হিন্দি ভাষা সব রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়া যা প্রথম থেকেই তামিলনাড়ু রাজনীতির বিরুদ্ধে রয়েছে তা এখনও চলে আসছে। 1950 সালে তামিলনাড়ুর সমাবেশে বা পার্লামেন্ট দুটি ভাগে ভাগ হয়ে গেছিল যেটি একটি ভাগ বলছিল হিন্দি ভাষা যেন পার্মানেন্ট করে দেয় আর অন্যদিকে রয়েছিল এর বিরুদ্ধে। তারপরে তামিলনাড়ু পার্লামেন্টে মুন্সি ফর্মুলা কে প্রতিস্থাপন করে যার ফলে ইংরেজি ভাষাকে দাপ্তরিক করে দেয় আর এর সঙ্গে হিন্দি ভাষা কো পড়ে যা ছিল 15 বছরের জন্য আর এর থেকে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য তাদের পার্লামেন্ট থেকে অনুমতি নিতে হবে।

965 সালে যখন লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এর নতুন শিক্ষানীতি আসে তখন তারা এর বিরুদ্ধে হয়ে যায়। এরপর যখন ইন্দ্রাগান্ধির সরকার আসে তখন তিনি একটি বিল পাস করে যার নাম হলো দে অফিশিয়াল লঙ্গুয়েজ এক্ট 1967 যার মাধ্যমে হিন্দি আর ইংলিশ ভাষা কে দেশের দাপ্তরিক ভাষা বলে গণ্য করবে। এরপর 1968 সালে তিন ভাষার শিক্ষানীতি নিয়ে আসে। এই নীতির মধ্যে ছিল যেখানে হিন্দি ভাষা বলা সেখানে দাপ্তরিক ভাষা হবে ইংলিশ আর হিন্দি আর তিন নাম্বার ভাষা হবে ভারতের যে কোন এক মডেম ভাষা। আর যেখানে হিন্দি ভাষা বলে না সেখানে একটি ভাষা হবে ইংরেজি আর দ্বিতীয় ভাষা হবে হিন্দি আর তৃতীয় ভাষা হবে আরেকটি ভারতীয় ভাষা। এখানে সব রাজ্যগুলি এদিকে স্বীকার করে কিন্তু তামিলনাড়ু এটির বিরুদ্ধে আর এখনো দুটি ভাষায় রয়েছে।

সংবিধানে অনেকগুলো অনুচ্ছেদ রয়েছে যেগুলো রাজ্যগুলিকে নিজের শিক্ষানীতি বানাতে সমর্থন দেই। অনুচ্ছেদ 29 এ বলে কোন সংখ্যালঘু ভাষা থাকে তাহলে তারা তাদের ভাষাগুলোকে সংস্কৃতি করতে পারে তারা তাদের নিজের ইনস্টিটিউশন খুলতে পারে। যেমন রয়েছে নাটিক্যাল 347, আর্টিকেল 350a। 

কেন্দ্র সরকার বলে আর্টিকেল 343 বলে যে আমাদের মাতৃভাষা হবে হিন্দি। আর বিয়ের আম্বেদকর বলেছেন যে আমাদের একটি ভাষা হওয়া উচিত সিটি হিন্দি হতে পারে। আর আর্টিকেল 351 বলে যেটি কেন্দ্রীয় সরকার কে শক্তি দেয় যে হিন্দি ভাষাকে আপনারা তৈরি করুন।

বর্তমানে তামিলনাড়ু সরকার এটি বিরোধিতা করেছে এই দেখে দক্ষিণ ভারতের অনেকগুলো রাজ্য এর বিরোধিতা করবে এর মূখ্য কারণ হলো তিন ধরনের ভাষা শিক্ষানীতিতে ব্যবহার।