রাজস্থানী রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়েছিল 10 জুলাই আর শেষ হয়েছে 11 ই আগস্ট। যখন বলল শচীন পাইলট বিদ্রোহ এমএলএ(MAL) কে নিয়ে দিল্লি নিয়ে যাচ্ছে। আর এটি শেষ হয় যখন শচীন পাইলট এর সঙ্গে কথাবার্তা হয় রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে। তারপরে শচীন পাইলট বলল সে এখন কংগ্রেস পার্টি তে ঘুরে এসেছে।

শচীন পাইলট(sachin pilot) প্রাই কংগ্রেসকে এক মাসের মতন চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল কারণ কিছুদিন আগে মধ্যপ্রদেশে যে ঘটনা হয়েছিল সেই ঘটনা আবার রাজস্থানের না ঘটে। আর শচীন পাইলট রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী আশক গেহলোট কে চ্যালেঞ্জ করেছিল। আর এখানে বিজেপি কে লাগে তাদের জন্য একটা সুযোগ রয়েছে। শচীন পাইলট এতকিছু করার পরও আবার কংগ্রেস পার্টিতে ঘুরে এসেছে। আর শচীন পাইলট বলছে যে তিনি কখনই কংগ্রেস পার্টি ছাড়েননি তাই তার ঘুরে আসার কোনো মতলবই হয় না।

এর ফলে শচীন পাইলট(sachin pilot) কে তার পদ থেকে হাত ধুতে হয় প্রথমটি হলো উপমুখ্যমন্ত্রী আর দ্বিতীয়ত রয়েছে রাজস্থান প্রদেশ রাষ্ট্রপতি হিসাবে।

শচীন পাইলট এই বিদ্রোহ করে তিনি কী অর্জন করেছেন

তিনি প্রায় এক মাস ধরে কংগ্রেস পার্টির সঙ্গে বিদ্রোহ করলেন। কিন্তু তিনি ভালোভাবে তৈরি হয়ে আসেন নি আর তিনি প্রাই ১৯ টি এমএলএ(MAL) কে বিদ্রোহ করলেন আর তিনি আর কিছু এমএলএ(MAL) নিয়ে আসার জন্য কাজ করছিলেন কিন্তু পারেন নি তার সামনে ছিল অনুভূতি আশক গেহলোট নেতা। শচীন পাইলট অশোক গেহলোট রাজনৈতিক কে ছোট করে কমিয়ে দেখেছেন আর শচীন পাইলট যেসব কাজ করতে চেয়েছিল সেই সব কাজ করতে পারেননি। এখানে রাষ্ট্রীয় কংগ্রেসের পুরো সমর্থন ছিল অসৎ সরকারের ওপর, তার পর শচীন পাইলট রাজনৈতিক চাপ আইনগত চাপ বা মানসিক চাপ হয় না কেন সবই তা তার উপরে চাপিয়ে ছিল।

রাজস্থানের কংগ্রেসের সরকার যেসব এমএলএ(MAL) কে নিয়ে তাদের ভয় ছিল প্রায় 22 জন হবে সেসব এমএলএ(MAL) কে রাজস্থানে এক হোটেলে রেখেছিল আর দিল্লী ও জয়পুরের রাস্তাকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল আর হোটেলে জ্যামার ইন্সটল করে দেওয়া হয়েছিল যেন বাইরে থেকে কোন ধরনের কথাবাত্রা না হয়। আর এখানে কংগ্রেস(congress) পার্টির দেখিয়ে দিল শচীন পাইলট এর কতখানি মর্যাদা রয়েছে কংগ্রেসে আর তাদের কংগ্রেসকেও এমএলএ কো বাঁচিয়ে নিয়েছে।

এই বিদ্রোহ করার ফলে শচীন পাইলট এর মর্যাদা কংগ্রেস পার্টির(congress party) মধ্যে অনেকখানি কমে গেছে। এইসব করার ফলে তিনি উপমুখ্যমন্ত্রী ও রাজস্থানের প্রদেশ প্রেসিডেন্ট হিসাব থেকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে তিনি এসব খুব কষ্ট করে কামিয়ে ছিল কিন্তু তিনি হারিয়ে ফেললেন।তিনি রাহুল গান্ধী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সাথে কথা বলে এসেছেন যে তিনি 2023 সালে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য তাকে চিহ্নিত করে তাই বলে তিনি কংগ্রেসের ঘুরে এসেছেন। কিন্তু রাজনীতিতে এটা বলা যায়না যে তিন বছর পরে কি হবে আর পরের সপ্তাহে কী হবে তাই তো বুঝা যায় না।

শচীন পাইলট এর জন্য কথাবার্তা চলছিলো যে তিনি রাষ্ট্রীয় হিসাবে কংগ্রেসের রাষ্ট্রপতি হিসাবে গণ্য করা হবে কিন্তু তিনি এসব গুলো হারিয়ে ফেললেন আর অনেক দূরে রয়েছেন তিনি।

অশোক ডাইলক হল রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী এই পুরো রাজনৈতিক সঙ্কটে প্রমাণ হয় যে তিনি খুবই শক্তিশালী ও এনার রাজনৈতিক ভাবনা চিন্তা অনেক ভালো। আর এই সংকটের পর তিনি আরো শক্তিশালী হয়ে বের হলেন।তুমি প্রমাণিত করে দিলেন যে তার বিদ্রোহীদেরকে কিভাবে ঠিক করতে হয় সেটা হয় পার্টির ভেতরে বা বাইরে। তুমি এটা দেখে দিলেন যে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস কে যেটা দেখতে হয়েছিল সেটা রাজস্থানে কংগ্রেস পার্টি কে দেখতে হয়নি তার জন্য। এর ফলে প্রমাণ করে দেয় তিনি যে কংগ্রেস পার্টির তার কত দরকার।

আর কিছুদিন পরে শচীন পাইলট যদি মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য বলেন তার সত্বেও অশোক গাইল তোর কাছে বেশি এমএলএ(MAL) রয়েছে। তিনি দেখিয়ে দিলেন য়ে শচীন পাইলট কত টা কংগ্রেস পার্টির(congress Party) মধ্যে জায়গা রয়েছে।

অশোক দেখিয়ে দিলেন যে ভারতের এক মহামারী চলছে সেখানে বিজেপি শুধু একটি শক্তির ক্ষুদার্থ পার্টি হিসাবে দেখিয়ে দিলেন। আশক গাইল দেখে দিলে তার কতটা রাজনৈতিক ভাবনা চিন্তা রয়েছে। এর ফলে তিনি বিজেপি(bjp) কি পিছে ঢেলে দেন। আর্টি হাস গত কথা হল বিজেপি(bjp) প্রথমে কংগ্রেসের এমএলএ(MAL) কে কিনতে ছিল কিন্তু পরে অশোক দলের রাজনৈতিক দৃষ্টি এমন যে তিনি কিছুদিন পরে বিজেপি এমএলএ(MAL) গুলোকে কিনে নিতে চাই তারপরে বিজেপি(BJP) এমএলএ কে বাঁচাবার জন্য রাজস্থান থেকে পালিয়ে এল।

এখানে কংগ্রেস পার্টি প্রমাণ করে দিলে যে তাদের দিশা নির্দেশ কত কড়া আর তাদের কে যে বিদ্রোহ করবে তারা তাঁকে ছেড়ে দেবে না, সে তাদের কতই কাছে হোক না কেন।কংগ্রেস পার্টির মধ্যে যুব নেতা ও বৃদ্ধ নেতাদের মধ্যে অনেক বড় দূরত্ব রয়েছে সেটা ভালো করেই জানে গান্ধী পরিবার।

কংগ্রেস পার্টি বলেছেন য়ে তাদের সব নেতার কথা শুনবে কিন্তু কোনো নেতা তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে তাহলে তার কথা কোনোভাবে শোনা হবেনা। শচীন পাইলট হলো রাহুল গান্ধীর খুব কাছাকাছি মানা হয় কিন্তু এখানে কোন ব্যক্তিগত দিক দেখা হয়নি। রাহুল গান্ধী দেখিয়ে দিলেন আপনি যদি আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন তাহলে আপনার কথা শুনবো কিন্তু আপনার সাথে দেখা করব না। কংগ্রেস পার্টি মধ্যে রয়েছে যুবনেতাদের মূল্য রয়েছে কিন্তু খুবই বেশি না যতটুকু দরকার ততটুকু।

এখানে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী যিনি কংগ্রেসের রাষ্ট্রীয় রাষ্ট্রপতি ও তিনি শচীন পাইলট ও কংগ্রেস পার্টির মধ্যে এক মধ্যস্থতা হিসাবে কাজ করে। যে কোন অ্যাপ দিয়ে যায়নি এতে হিসাবে দরকার সে কাজ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ঠিক করে দেখিয়ে দিলেন।

এইখানে আর একটা দিক আসেন বিজেপির ভেতরে, প্রাক্তন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে ভালো করেই বিজেপি উচ্চপদস্থ তাকে বুঝিয়ে দিলেন যে যদি তার সঙ্গে তাকে না নেয়া হয় তাহলে তিনি কোন ভাবে সাহায্য করবেন না। বসুন্ধরা রাজে বললে অনেক বিজেপি নেতা রয়েছে যে তার বিরুদ্ধে প্রচার করে বেড়াচ্ছে। যদি বসুন্ধরা থেকে নেওয়া হত তাহলে মধ্যপ্রদেশে যা হয়েছিল তা এখানে দেখতে হতো।

কংগ্রেসে অনেক নেতা বলেছিলাম রাজস্থানের সরকার বেঁচে আছে বসুন্ধরা রাজে জন্য তাই অনেক রাজস্থানের এমএলএ(MAL) তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।