আমরা দেখছি বিশ্বের রাজনীতিতে যেখানে G7 দল যেখানে তারা লোক সংখ্যা বাড়াচ্ছে আবার এর সঙ্গে দেখছি OIC 57 মুসলিম বহুল দেশ এর গ্রুপ। এই দলের সদর দপ্তর রয়েছে সৌদি আরবিয়া এর জেদা শহরে। এই দলটি মনে হচ্ছে ভেঙ্গে যাবে। মনে হয় পাকিস্তান, তুর্কি, ইরান এইসব দেশ ওআইসি(OIC) ছেড়ে দিতে পারে। এই দলের নেতৃত্ব দেয় সাউদিআরাবিয়া ও ইউনাইটেড আরব এমিরেটস(UAE)। ওআইসি ফুল নাম হলো অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কর্পোরেশন। আর এখানে সৌদি আরবিয়া ও UAE এর সম্পর্ক দিন দিন পাকিস্তানের সঙ্গে খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

আগস্ট 2018 এ যখন ইমরান খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয় তখন পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো পাকিস্তানের যেটি বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ যেটি অনেক কম ছিল আর পাকিস্তান অনেক ধার এর মধ্যে ছিলো তখন সাউদিআরাবিয়া পাকিস্তানের সাহায্য করার জন্য যেটি ছিল 6.2 বিলিয়ন ডলার দিয়েছিল কিন্তু এর মধ্যে দুটি বিভাগ ছিল সৌদি আরবে বলল পাকিস্তানকে 3.2 বিলিয়ন ডলার এর এক বছরে পাকিস্তান তেল নিতে পারে আর যেটি টাকা পরিশোধ করতে হবে খুবই আস্তে আস্তে আর দ্বিতীয় বিভাগটি হল বাকি টাকাটি পাকিস্তান তার বৈদেশিক মুদ্রা বাড়াবার জন্য দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে পাকিস্তানকে সৌদি আরাবিয়া অক্সিজেন দিয়েছিল তার অর্থনৈতিক কে। কিন্তু যা আমরা দেখছি তা সৌদি আরবিয়া ঘুরিয়ে নিচ্ছে। সৌদি আরবিয়া পাকিস্তানকে যেটি 3 বিলিয়ন তার বিদেশি মুদ্রা তাদের ব্যাংকে রেখেছিল তারমধ্যে সৌদি আরবিয়া 1 বিলিয়ন ডলার ঘুরিয়ে নিয়েছে তখন পাকিস্তান খুব তাড়াতাড়ি করে চীনের কাছ থেকে 1 বিলিয়ন ডলার ধার নিয়ে সৌদি আরবিয়া কে দিয়েছে। আবার খবর আসছে বাকি 2 বিলিয়ন ডলার আছে সেটিও সৌদি আরবিয়া ঘুরিয়ে নেবে।

এর সঙ্গে ইউএই (UAE) প্রথমে জানিয়েছিল যে পাকিস্তানকে তারা 6.2 বিলিয়ন ডলার দেবে কিন্তু পরে এই টাকা কমিয়ে দেই যা হয় দুই বিলিয়ন ডলার টাকা দিয়েছে।

এখন পাকিস্তানের তেলমন্ত্রী এর মুখ্য বাত্রা বলেছে যে এখনো তারা দেখছে সৌদি আরবিয়া যে টি করেছে সেটি তারা ঘুরিয়ে নেবে। সমস্যা হলো পাকিস্তানের জন্য তারা তাদের বাজেটে দেখিয়ে দিয়েছিল যে তেলের টাকা তারাকে খুব আস্তে আস্তে দিতে হবে সৌদি আরবে কে। পাকিস্তান ভেবেছিল তারা যে তেল নিবে তার জন্য যে টাকা দিতে হবে তিন বছর এর মধ্যে। কিন্তু 2020 মধ্যে হিসাবে এটি বন্ধ করে দেয়। 

এটির কারণ কি?

এটি সোজাসুজি দেখা যায় যে পাকিস্তান চ্যালেঞ্জ করেছে ও আই সি(OIC) এর নেতৃত্বকে। পাকিস্তানের প্রাথমিক কথা হল যে ওআইসি তে কাশ্মীরের কথা বলা হচ্ছে না কেন। ওআইসি থেকে ভারতের বিরুদ্ধে কোন রকম বিরোধিতা আসেনি শুধু এসেছে ওআইসির হিউম্যান রাইট যা দিল্লির দাঙ্গার এর কথা ও সি এ এ বিরুদ্ধে কিছু হালকা কথা বলেছে কিন্তু ওআইসির প্রাথমিক মেম্বাররা কোন ধরনের ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলতে চাই না এর ফলে পাকিস্তান ক্ষুব্দ হয়ে যায় তাই এখন পাকিস্তান ওআইসি কে চ্যালেঞ্জ করে আলাদা ইসলামিক দেশের দল তৈরি করতে চাই। পাকিস্তান বারবার ওআইসিতে(oic) বলছে কাশ্মীরে গণহত্যা হচ্ছে কিন্তু ওআইসি জানে কাশ্মীরে সেরকম কিছুই হয় না। তাই এই আলাদা এক ধরনের কাশ্মীরের বিরুদ্ধে মিটিং করা সেটা তাদের কাছে খারাপ লাগছে।

এই দেখে সৌদি আরবিয়া তার অর্থনৈতিক প্যাকেজ পাকিস্তানের কাছ থেকে ঘুরিয়ে নেই আবার ইউএই সৌদি আরবিয়া কথা মতন চলবে ও তার টাকা পাকিস্তানের কাছ থেকে ঘুরিয়ে নেবে।

এর ফলে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সমর্থন কে দেবে প্রথমত সাউদিআরাবিয়া পাকিস্তান কে অর্থনৈতিক সমর্থন দেবে না। আর বর্তমানে পাকিস্তানের চীনের ওপর আরো বেশি নির্ভর হয়ে পড়ে। পাকিস্তানের এইসব কারণ হলো কাশ্মীর পাকিস্তান যদি আরেকটু বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ দিত তাহলে পাকিস্তানকে এইসব দিন দেখতে হতো না।