পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল বাজওয়া গিয়েছিল সৌদি আরবিয়া তে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার জন্য। বর্তমানে অনেক ধরনের সমস্যার জন্য পাকিস্তান ও সৌদি সরকারের মধ্যে দিনদিন দূরত্ব বাড়তি রয়েছে। এখানে পাকিস্তান বারবার কাশ্মীরের কথা বলছে ওআইসি বাইরে একটি ইসলামী সংগঠন বানাবে এদিকে সৌদি আরবিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। আর এই দূরত্ব কম আমার জন্য পাকিস্তানের সেনাপ্রধান গিয়েছিলেন সৌদি আরবিয়া তে। কিন্তু এই ঘুরতে যাওয়া একদম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বা এটি ধ্বংসন মাই একটি ভিজিট। সৌদি আরবে এখানে কোন কিছু বলেনি পাকিস্তানের ব্যাপারে এখানে বলেনি যে পাকিস্তানের যে তেলের টাকা মাফ করার কোনো প্রস্তাব রাখেনি যা সাউদিআরাবিয়া ঘুরিয়ে নিয়েছে। আর সব থেকে বড় কথা হল সাউদির কিং মোহাম্মদ বিন সালমান এখানে পাকিস্তান সেনা প্রধানের সঙ্গে দেখা করতে তিনি রাজি হননি আরে না সঙ্গে কোনো মিটিং এর ব্যবস্থা হয়নি।

এখানে পাকিস্তানের  কাছে রয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা প্রায় 11 বিলিয়ন ডলার কিন্তু সামনে বারো মাসের মধ্যে পাকিস্তানকে ঘুরিয়ে দিতে হবে লোন হিসাবে প্রায় 9 বিলিয়ন ডলার। প্রায় দুই বছর ধরে দেখা যায় যে পাকিস্তানি সরকার আন্তর্জাতিক থেকে লোন তুলেছে প্রায় 29 বিলিয়ন ডলার। এই দুই হাজার কুড়ি সালে পাকিস্তান সরকার প্রায় 13 বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক-এর লোন নিয়েছে। এই এত লোন গুলি নেওয়ার ফলে পাকিস্তানের অর্থনীতি একদম নিচে পড়ে যাবে। এখন যদি সৌদি আরবের কাছ থেকে সাহায্য না পাই তাহলে পাকিস্তান সরকার তার সুদ দিতে পারবে না ভবিষ্যতের জন্য। আর এই সত্যটা পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জানেন তার জন্য তিনি গিয়েছিলেন সৌদি আরবে তে এনি চেষ্টা করেছিলেন যে তেলের লোন দেওয়া হতো তা জেনো সৌদি আরবিয়া ঘুরিয়ে দেই পাকিস্তানকে। 2018 সালে পাকিস্তান ও সৌদি সরকারের মধ্যে চুক্তি হয়েছিল পাকিস্তান সৌদি আরবের কাছ থেকে তেল কিনে নেবে এই তেলের টাকা পাকিস্তানি সরকার খুব আস্তে আস্তে করে সৌদি আরবের সরকার কে দেবে আর সুদ অনেক কম লাগবে। সৌদি আরবিয়া পাকিস্তানকে প্রায় 3.2 বিলিয়ন ডলারের তেলের লোন দিয়েছিল পাকিস্তান সরকারকে। আর এর বাইরে 3 বিলিয়ন ডলারের মতন পাকিস্তানের ব্যাংকে টাকা রেখেছিল আর এটা ছিল খুবই অল্প সুদের। এর মধ্যে সৌদি সরকার 1 বিলিয়ন ডলার ঘুরিয়ে নিয়েছে আর তেলের সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান চেষ্টায় এই ছিল যে যে কিছু হয়েছে তা সৌদি সরকার ঘুরিয়ে যা সাহায্য করবে পাকিস্তানের অর্থনীতিতে।

কিন্তু আচম্ভ করার কথা হল যে সৌদি আরবিয়া পাকিস্তানের উপরে কতটা রেগে আছে আর দুই দেশের সম্পর্ক কতটা খারাপ হয়ে গেছে, সৌদি আরবের রাজা মোহাম্মদ বিন সালমান পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে দেখা করতে আসেনি। একইসময় নির্দেশ করা হয়েছিল যে দুজনেই কথাবার্তা হবে আর পাকিস্তানের সেনাপ্রধান কে একটি মেডেল দেওয়া হবে রিয়াদ থেকে কিন্তু এটি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবিয়া আর কিছুদিনের মধ্যেই বাকি দুই বিলিয়ন ডলার যেটি পাকিস্তানের ব্যাংকের রয়েছে সেটিও ঘুরিয়ে নেবে। এ দেখে মনে হয় পাকিস্তান ও সাউদিআরাবিয়া সরকারের মধ্যে যে দূরত্ব বেড়েছে তা প্রায় পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে খুব খারাপ থাকবে বা এর আগেও হতে পারে। কিন্তু এখানে পাকিস্তান একটি সৌদি সরকারকে সাহায্য প্রদান করে যে তাদের সৈন্য সৌদি আরবিয়া তে থাকবে বা পাকিস্তান সৌদি আরবে কে আরো ভালো করে সমর্থন দেই তাহলে সৌদি সরকার কিছু ভাবতে পারে।

এইসব হলে ভারতের জন্য একটি খুশির খবর যেখানে সৌদি আরাবিয়া ও পাকিস্তানের সম্পর্ক দিন দিন খারাপ হচ্ছে সেখানে ভারত ও সাউদিআরাবিয়া সম্পর্ক দিন দিন ভালো হতে থাকছে।

সৌদি আরবিয়া দৃষ্টি  2030 সালের রয়েছে সেখানে প্রায় আটটি দেশ কে কৌশলগত অংশীদারি হিসাবে দেখে সে দেশ গুলি হল ভারত, চীন ,ইউকে বা ইউনাইটেড কিংডম,আমেরিকা, ফ্রান্স, জার্মানি সাউথ কোরিয়া এবং জাপান। এই দেশগুলোকে নিয়ে সৌদি আরবিয়া এক বিশাল পরিকল্পনা রয়েছে।

সৌদি আরবের এই পরিকল্পনায় ভারতে এখন থেকে এক বিশাল বড় অংশীদারি হিসাবে দার হয়েছে। এখানে পাকিস্তান ও সৌদি আরবিয়া মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে তা এটি পূরণ করতে পারে ভারত এর ফলে সৌদি আরবিয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু হিসাবে ভারত থাকতে পারে। যার ফলে ভারতের একটি আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা এক বিশাল পরিবর্তন দেখা দিবে। যা আগে ভারতকে ইসরাইল ও গলফ দেশের সঙ্গে খুব সামলে আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা তৈরি করতে হতো কিন্তু এখন দেশে ইসরাইলকে একটি দেশ হিসেবে গণ্য করেছে ও ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলছে এর ফলে ভারত কে সমানভাবে ইসরাইল সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে।

ভবিষ্যতে সাউদিআরাবিয়া ও ভারত অংশীদারি দায়িত্ব নতুন রূপ দিতে পারে যার ফলে ভারত ও সাউদিআরাবিয়া তাদের সৈন্য একসঙ্গে যুদ্ধ শিক্ষা শিখতে পারে।

সাউদিআরাবিয়া ও পাকিস্তানের দূরত্ব থেকে কোন কোন দেশকে সবথেকে বেশি লাভজনক হয়েছে এখানে রয়েছে চীন ও তুর্কি। পাকিস্তান শুধু কাশ্মীরের জন্য সম্পর্ক খারাপ করেছে সৌদি আরবের সঙ্গে। এখন পাকিস্তান আরো নির্ভরশীল হয়ে পড়ল চীনের ওপর । পাকিস্তানের আর যত লোন রয়েছে সেগুলো দেওয়ার জন্য চীন সরকারের কাছ থেকে আরও লোন নেবে।প্রায় 5 থেকে 10 বছরের মধ্যে পাকিস্তান পুরোপুরিভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়বে চীনের ওপর। এখানে দ্বিতীয় দেশ হল তুর্কি, তোর কি চাই ওআইসি বাদে আরেকটি সংগঠন হয় যেখানে তুর্কি হবে মুসলিম দেশের নেতা।