আমেরিকা যত ভোটের দিকে এগাবে ততই ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনর বিরুদ্ধে কাজ করতে থাকবে। এরমধ্যে আমেরিকার একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে তাইওয়ান বিমান বাহিনীকে F-16 এর নতুন যুদ্ধবিমান। প্রায় 28 বছরের পর আমেরিকা সায়ন এর সঙ্গে এত বড় একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর ফলে চীনর এক কড়া প্রতিক্রিয়া আছে।

এক বিশ্ব গেমস শুরু হয়ে গেছিল তাই 1949 সালে যখন আসিত্তো মাও জেদঞ্জে হাত ধরে আর কমিউনিস্ট দেশ হয়ে ওঠ আর বড় বড় নেতারা তখন তাইওয়ান পালিয়ে যাই। তারপর থেকে আমেরিকা কোনো না কোনোভাবে তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছে।

1949-1979 পর্যন্ত আমেরিকা তাইওয়ান কে তাইওয়ান বলতো না বলতেও চীন। এরপরের বর্তমানে চীন এর বলার পর আমেরিকা তাইওয়ানকে চীন তারপর থেকে বলতো না। 

বর্তমানে আমেরিকা যেটি 1979 সালে একটি বিশাল বড় ভুল করেছিল সেটি এখন ঠিক করার জন্য, আমেরিকার সেক্রেটারি অফ হেলথ এন্ড হিউম্যান সার্ভিস এ্যালেক্সার এজার তাইওয়ান থেকে ঘুরে এসেছে। 1979 সালের পর আমেরিকার কোন এক বড় অধিকারী তাইওয়ান থেকে ঘুরে এসেছে।এর ফলে চীনর এক কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে এবং চায়না বলে এটি চীনর একটি ছোট দ্বীপ। আরে এটিএ চীনর আত্মসম্মানের ক্ষতি করা হচ্ছে।

এরপর তাইওয়ান ঘোষণা করল তার প্রতিরক্ষার খরচের মধ্যে 10% বৃদ্ধি করবে।

15 ই আগস্ট 2020 সালে আমেরিকা ঘোষণা করেন আমেরিকা বিক্রি করবে F-16, 66 টা দেবে। আমেরিকা এত বড় একটি চুক্তি করেছিল 1992 সালে যখন রাষ্ট্রপতি জর্জ বুশ।

66, F-16 দেওয়ার পর তাইওয়ানের বিমানবাহিনী কতো  শক্তিশালী হবে। তাই অন্যের কাছে আগে থেকে 115 টাকা এফ-সিক্সটিন যুদ্ধবিমান রয়েছে।

চীনর এই চুক্তি দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে যায় এবং চীনর বিদেশ মন্ত্রী বলেন আমেরিকার যুদ্ধ বিমান বিক্রি করে তাইওয়ান ওয়ান চীন পলিসি লংঘন করে। আর বলে আমেরিকা তাইওয়ান এর সঙ্গে কোন ধরনের সৈন সম্বন্ধ না রাখে আর তাইওয়ান কে যুদ্ধবিমান দেওয়া না হয় তা যেন আমেরিকা বিক্রি না করে না হলে চীন একটা কড়া পদক্ষেপ নিতে যাবে।

এর ফলে চীন আমেরিকা কী করতে পারে, আমেরিকার বেশি কিছু করতে পারবে না চীন। আরেকটি তাদের কাছে রাস্তা রয়েছে তারা ভেনেজুয়েলাকে অস্ত্রোপচার করতে পারে ও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ভালো রাখতে পারে। ভেনেজুয়েলা আর আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নাই।

আমেরিকা এত বড় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে কিন্তু ভারত কি করছে। ভারত খুব আস্তে আস্তে তাইওয়ান এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ইন্ডিয়া তাইওয়ান নাম বদল করে হয়েছে ইন্ডিয়া তাইপে অ্যাসোসিসেয়েন আর একজন উচ্চ অধিকারী ভারত থেকে তাইওয়ানে পাঠিয়েছে। ভারত খুব আস্তে আস্তে তাইওয়ান এর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে এর কারণ হলো আমেরিকার ভোট।