ভারত সরকার ঘোষণা করেছে যে তারা প্রতিরক্ষা অস্থিরতায় বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য এক নতুন নীতি এর দ্বারা ভারতে নজর রয়েছে প্রতিরক্ষা বাজারে ভারতের চাই 1.75 লাখ কোটি টাকা অর্জন করতে। এটি দ্বারা ভারতের সৈন্যদের নতুন নতুন অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে।

আমরা জানি যে ভারত একটা বিশাল বড় প্রতিরক্ষার মার্কেট। ভারত পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে অস্ত্র কিনার জন্য আর প্রথম স্থানে রয়েছে সৌদি আরবিয়া। ভারতের সবথেকে বড় অস্ত্র প্রদানকারী দেশ হল রাশিয়া, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইসরাইল আর তৃতীয় স্থানে কখনোই আমেরিকা বা ফ্রান্স থাকে।

কিছুদিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছিল যে ভারত তার প্রতিরক্ষা অস্ত্র-গুলি 5 বিলিয়নেরও বেশি 5 বছরের মধ্যে রপ্তানি করতে চাই। এর মধ্যে ভারত কিছু কিছু কাজ শুরু করেছে মার্চ মাসে ভারত টপ 25 এর মধ্যে থাকে অস্ত্র রপ্তানির করার দিকে। ভারত রপ্তানি করে তার অস্ত্র প্রায় 42 টি দেশে। দেশ গুলির নাম হল অস্ট্রেলিয়া, আজারবাইজান, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, আমেরিকা, সিঙ্গাপুর, সাউথ আফ্রিকা, থাইল্যান্ড, কাতার, লেবানন, ইরাক, জাপান, ইজিপ্ট, ইজরাইল, ঘানা। 2014 সালে অস্ত্র দিকে ভারতে রপ্তানি ছিল প্রাই 2000 কোটি টাকার মতন আর লাস্ট দুই বছরের মধ্যে সেটি হয়েছে 17 হাজার কোটি টাকার।

এই ইন্ডাস্ট্রিতে ভারত এর সুযোগ অনেক রয়েছে এখানে ভারতের উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি। তাই ভারত সরকার একটি নতুন নীতি নিয়ে এসেছে যার ফলে ভারতের প্রতিরক্ষা অস্ত্র-গুলি খুব তাড়াতাড়ি বাড়তে থাকে।

প্রতিরক্ষা অস্ত্র এবং রপ্তানি পদোন্নতি 2020।এ নীতিতে রয়েছে ভারত তার অস্ত্র নিজে নিজেই বানাবে এবং বাইরের দেশে তা রপ্তানি করবে। 1 লাখ 75 হাজার কোটি টাকার মধ্যে 35,000 হাজার কোটি টাকা ভারত চাই এটি রপ্তানি করতে। এটির লক্ষ্য মহাকাশ ও প্রতিরক্ষার দিকে থেকে এই 35 হাজার কোটি টাকা রপ্তানি করতে। এটির আরেকটি উদ্দেশ্য হল স্থানীয়দের প্রতিরক্ষা অস্ত্রের উৎপাদন করে। এটি মেকিং ইন্ডিয়ার পক্ষে খুব ভালো।

তৃতীয় উদ্দেশ্য হল কেন্দ্রবিন্দু থাকবে ছোট লোভ উৎপাদন গুলো স্টার্টআপ অপর যা ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য খুব ভালো আর রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং রপ্তানির দিকে তাদের নজর থাকবে।

এই নীতি নিয়ে আসার জন্য কারণ কি। কৌশলগত দিক থেকে ভারতকে তৈরি থাকতে হবে দুই দিক থেকে যুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে, একসাইডে রয়েছে পাকিস্তান আর অপরদিকে রয়েছে চীন। এর জন্য ভারতকে তৈরি হতে হবে।

ভারতের প্রতিরক্ষা অস্ত্র খরচ অনেক বেশি তাই ভারত সরকার তার খরচ কমানোর জন্য এই নীতি নিয়ে আসে। যেখানে আমেরিকা তার প্রতিরক্ষায় খরচা করে 732 বিলিয়ন ডলার আর চিন করে 261 মিলিয়ন ডলার আর ভারত করে 70 বিলিয়ান ডলার খরচ করে। এখানে আটটি সমস্যা রয়েছে ভারতের খরচ হয় তা তা আমদানিতে অনেক বড় একটা অংক।