ডোনাল্ড ট্রাম্প সিগনেচার করেছে কিনুন আমেরিকান প্রোডাক্ট প্রথমে। এর ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলতে চাইছেন আমেরিকান লোক আমেরিকান জিনিস প্রথমে কিনুন।

আমেরিকার কেন্দ্রীয় সরকার তার জনগণকে বলছে যে যখন তারা বাজার থেকে ওষুধ কিনতে যাবে তখন যেন আমেরিকার ওষুধ কিনে। এখানে একটি শর্ত রয়েছে 25 পার্সেন্ট এর সস্তা কোন ওষুধ হয় তাহলে বাইরের দেশের ওষুধ কিনতে বলেন না হলে আমেরিকান ওষুধ কিনুন।

এর ফলে ভারত ও চীনের ওপর বিশাল প্রভাব পড়বে। এখানে ভারত এই সুযোগের ব্যবহার করতে পারে। কিভাবে ভারত এই সুযোগ ব্যবহার করতে পারে যদি ভারত তার ওষুধ খুব ভালো মার্কেটিং করতে পারে। ভারতের সবথেকে বড় ঔষুধের বাজার হলো আমেরিকার। আমেরিকাতে বলে প্রত্যেক তিনটি ওষুধের মধ্যে এক টি হয় ভারতের। ভারত আমেরিকা কে রপ্তানি করে প্রায় 6 বিলিয়ন ডলার বা তারও বেশি প্রত্যেক বছর। এর ফলে ভারতকে কিছু মিলিয়নের ক্ষতি হতে পারে।

এর ফলে ভারতের দীর্ঘমেয়াদী সুবিধা, এই অর্ডার বা এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছু সিদ্ধান্ত নেন আমেরিকার প্রাথমিক লক্ষ্য হবে এপিআই(API) এর উপর আমেরিকার সব থেকে বড় সমস্যা হল এপিআই (API) যেখানে ভারতের বাজার এর শতকরা খুবই কম আর চিন এই বাজারে দখল করে আছে।

এপিআই (API) কি? আপনাকে যে কোন ওষুধ তৈরি করতে হলে আপনাকে চাই কাঁচামাল। এই এপিআই (API) পুরো বাজার দখল করে আছে চীন। আমেরিকা চাই চীনের সরবরাহ চেন যেন আলাদা হয়ে যায়। আর এর ফলে আমেরিকা চাই এ  এপিআই চীন থেকে আমেরিকাতে নিয়ে চলে আসে। এর ফলে ভারত থেকে চিন কে বেশি ক্ষতি হবে।

ভারতের 68% এপিআই আমদানি করে চীন থেকে। ভবিষ্যতে যদি আমেরিকা এক বিশাল বড় এপিআই উৎপাদন করে তাহলে চীনের ওপর ভারতের জে এ পি আই এর আমদানি করতে হয় তাহলে তা কমে যাবে। আমেরিকা এমন এক সময় এ এপিআই কথা বলছে যখন এটির সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছে একটি রিসার্চে বলেছে 2024 এ এপিআই বাজার মূল্য হবে প্রায় 245 বিলিয়ন ডলার। প্রথমদিকে আমেরিকা কে একটি ধাক্কা লাগতে পারে কিন্তু দীর্ঘ সময়ের জন্য আমেরিকা খুব লাভজনক হতে পারে।

আমেরিকা তার প্রাইভেট কোম্পানি দের এপিআই তৈরি করার জন্য এখন থেকেই লোন দিতে শুরু করেছে। আর বলেছে যেন এই এপিআই শুধু আমেরিকাতেই তৈরি হয়। আর এখানে সব থেকে বড় নাম হল কোড়াক()। এর ফলে কোডাকের সি আর মূল্য একদিনে তিনগুণ বেড়ে যায়। এখানে কোডাক কে লোন দেওয়া হবে প্রায় 765 মিলিয়ন ডলার দেবে আমেরিকান গভর্মেন্ট খুব সস্তা লোনে এ। এর ফলে আমেরিকা আত্মনির্ভর হবে। 

ভারত সরকার এপিআই এর উৎপাদন করার জন্য 8 হাজার কোটি টাকা দেবে।

এর ফলে আমেরিকা-ভারতের রাস্তা পরিষ্কার হয়ে যায়। ভারত ও আমেরিকা কে একটি ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট সিগনেচার করতে হবে যেটি হতে পারে এক বা দু বছরের মধ্যে যার মধ্যে ফার্মাসিউটিক্যাল বিজনেসে খুব একটি প্রভাব থাকবে। আমেরিকা এপিআই তৈরি করবে আর ভারত এপিআই দিয়ে ওষুধ তৈরী করবে যা সারা বিশ্বকে ভারত বিক্রি করবে। এটি ভারতের জন্য খুব বিশাল বড় একটি সুযোগ আর এটি হবে দীর্ঘ সময়ের জন্য।