মেডিটেরিয়ান সমুদ্র কাছে রয়েছে তুর্কি, আর তার আগে রয়েছে গ্রিস আর তারা দুজনে মধ্যে একটি সমুদ্র রয়েছে সেটি হল এজেন্সি সমুদ্র।

এখানে ফ্রান্সের দায়িত্ব কি, ফ্রান্সের নেভির একটি রোল হয়েছে সেটি হলো আর ফ্রান্স চাই বে অফ বিশকে থেকে মেডিটেরিয়ান সমুদ্র থেকে এজিযেন সমুদ্র প্রজন্ত যে কিছু হবে আর নিরাপত্তা সম্বন্ধে যত কিছু হবে তা ফ্রান্সের নেবিকে জানতে হবে। ফ্রান্স চাই তাদের এলাকায় সে একজন প্রভাবই দেশ হয়ে ওঠে আর আরেকটি কারণ হলো সেই এলাকার মধ্যে সে একমাত্র ই পারমাণবিক শক্তি আর ফ্রান্স ইউনাইটেড নেশন এর সিকিউরিটি কাউন্সিলিংয়ের পার্মানেন্ট সিট রয়েছে।

তুর্কি ও গ্রিস এর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির কারণ কি, গিরিসের অনেকগুলো দ্বীপ রয়েছে যেগুলো তুর্কির খুব কাছাকাছি এর ফলে তাদের মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল হিসাবে ইকোনমিক জোন কে কতখানি অবস্থান করে তা নিয়ে ঝামেলা হয়। আর এখানে অনেকগুলো ন্যাচারাল গ্যাস ও অনেক ধরনের খনিজ পদার্থ থাকতে পারে আর এইসব বের করা নিয়ে তাদের মধ্যে মাঝেমধ্যেই ঝামেলা হয়।

এই ঝামেলার আরেকটি দিক হলো, কিছুদিন আগে তুর্কি ও লিবিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি হয় যে তাদের মেটেরিয়াল সমুদ্রের ভাগ করে নেবে। কিন্তু একটি সমস্যা রয়েছে এখানে অগ্রিস এর মধ্যে আরেকটি চুক্তি আছে যে তারা তাদের মেডিটেরিয়ান সমুদ্র ভাগ করে। এই দুজনেই মেডিটেরিয়ান সমুদ্র ভাগ করার মধ্যে দুজনেরই একে অপরের চাপাচাপি হয়ে যায়।

গীরিক এর দূতাবাস আঙ্কারা তে অবস্থিত করে আর তারা বলেছে যে তুর্কি ইল্লিগ্যাল’ ভাবে মেডিটেরিয়ান সমুদ্রে যে ন্যাচারাল জিনিস বের করবে সিটি কথা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও নেটো মেম্বার ও ইউনাইটেড নেশনস সিকিউরিটি কাউন্সিলে কথা উঠাবে।

আর এখানে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন গিরিশ এর পিছনে রয়েছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বলেছে তুর্কিকে মেটেরিয়াল সমুদ্র যে গ্যাস বের করবে তা এখনকার মতন থামিয়ে দেয়। আর এখানে তুর্কি একা একাই না করে সব দেশকে সঙ্গে নিয়ে যেন কথাবার্তা বলে আরে সমস্যা দূর করে।

এসব তো কথা হলো কিন্তু, বর্তমানে কি হয়েছে গ্রীস আর তুর্কির যুদ্ধজাহাজ এত কাছাকাছি এসে পড়েছে যেন মনে হয় তাদের মধ্যে একটা ছোটমোটো ঝগড়া হতে পারে। কিছুদিন আগে তুর্কীয় গ্রিসের যুদ্ধজাহাজ কাছাকাছি টহল দিচ্ছিল তখন দুজনে খুব কাছাকাছি এসে পড়ে এরপরে গিরিসের যুদ্ধজাহাজ তুর্কির জাহাজকে টক্কর মেরে দেই। এরপরে তুর্কির রাষ্ট্রপতি রিচার্ড তৈয়ব এরদোগান বললেন যদি আমাদের নেভির ওপরে আক্রমণ হয় আমরা পেছন সরবো না আমরা গ্রিসে আক্রমণ করে দেবো। গ্রীষ্ম তুর্কি দুজনই নেটো(NETO) মেম্বার কিন্তু দুজনেই এমন পরিস্থিতির চলে এসেছে যে তাদের মধ্যে যুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরে ফ্রান্স এর মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ে আর এখানে ফ্রান্স গিরিসের দিক নিতে চাই।আর এখানে অনেকগুলো যুদ্ধজাহাজ ও রাফায়েল বিমান এই দুই দেশের কাছাকাছি অবস্থান করেছে।

ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি বলেছেন পূর্ব মেটেরিয়াল সমুদ্রে চিন্তাজনক সময়। তুর্কির একাই তেল বের করার তা নির্ণয় রয়েছে তার ফলে দু’জনের মধ্যে চিন্তা বাড়ছে। দুজনে বসে শান্তি ভাবে কথা বলে আর নেটো সঙ্গে কথা বলে।

ফ্রান্সে এখানে শান্তি আসুক কিন্তু ফ্রান্সের গ্রিসের দিকে রয়েছে যখন ফ্রান্সের অনেকগুলো যুদ্ধজাহাজ ও অনেকগুলো বিমান এসে পড়ে তখন গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী বলে ইমানুয়েল মার্ক্রাম হল গ্রিসের একজন সত্য বন্ধু আর বললেন ইন্টারন্যাশনাল আইন ও ইউরোপিয়ান মান সত্য প্রতিবাদী। এর ফলে তুর্কি বলে ফ্রান্সের কোন সমুদ্র সৈকত নেই তাদের সঙ্গে কিন্তু ফ্রান্স সেখানে কি করতেছে এসেছে। 

এখানে ফ্রান্সের রাজা অনেকগুলো কারণ রয়েছে ফ্রান্স চাইনা তুর্কির মেডিটেরিয়ান সমুদ্রের বেশি করে প্রভাব থাকে। কিছুদিন আগে তুর্কির নৌ জাহাজ ফ্রান্সের একটি জাহাজ কে হেরাস করেছিল। বর্তমান সময়ে লিবিয়াকে কেউ অস্ত্র দিতে পারবে না ফ্রান্সের নৌজাহাজ ছিল মেটেরিয়াল সমুদ্রে ওনা দেখেন একটি তুর্কি জাহাজ কিছু অস্ত্র বা অন্য কিছু জিনিস লিবিয়া কে দিছিলো যা ফ্রান্সের নৌ সেনারা দেখে ফেলে এর ফলে ফ্রান্সের জাহাজের তুর্কির নৌবাহিনী কে বলেন যে তারা কোন রকম অনৈতিক কাজ করে কিন্তু তুর্কির নৌ সেনারা তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইনি বরঞ্চ তুর্কির অনেকগুলো জাহাজ এসে ফ্রান্সের একটি নৌ জাহাজ কে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে এর ফলে ফ্রান্স রাগ করে এর ফলে নেটো মেম্বারের কাছে যাই।

এখানে কোন কিছু ভাবে ভারতের রোল থাকবে। ভৌগোলিকভাবে দেখলে ভারত এদের থেকে অনেক দূরে এর ফলে ভারতের কোন প্রভাব পড়বে না।আর ভারত কিছু বললেও তাদের ওপর কোনো কিছু প্রভাব পড়বে না শুধু তাদের মধ্যে মনোবল বাড়বে।