আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতির ভোট হবে ডেমোক্রেট ও রিপাবলিক পার্টি আর দুই পার্টি ভারতীয়দের ভোটের উপর নজর দিয়ে রেখেছে। কেন এই দুই পাটির ভারতীয়দের ভোটের ওপর এত নজর।

তখনই ডোনাল্ড ট্রাম্প হাউডি মোদি অনুষ্ঠান আয়োজিত করেছিল আর ভারতের নমস্তে ট্রাম্প করেছিল। এখানে ডেমোক্র্যাট থেকে উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী কামলা হারিস যা ভারত তের সাথে সম্পর্ক রয়েছে। আমেরিকাতে রাষ্ট্রপতির প্রার্থী দেমোক্রাট থেকে জো বাইডেন, কামলা হারিসের সংঘর্ষের একটি ভিডিও দিয়েছিল।

আমেরিকাতে প্রায় 17 লাখ ভারতীয় ভোটার রয়েছে। এখানে বলছে যে আমেরিকা ভারতীয় ভোটাররা যারা খুব কঠিন হিন্দুত্ব রাখে তারা ডোনাল ট্রাম এর দিকে হতে পারে কারণ ডোনালট্রাম কে ভারতের সমর্থন হিসাবে দেখা যায়।

কাশ্মীর ও বিবাদ নাগরিক বিলের ট্রাম সরকার অনেক সময় চুপ থাকে। সেপ্টেম্বর 2019 সালে আমেরিকার হিউস্টনে মোদির সঙ্গে ট্রাম্পের আসা আর এই বছরে ট্রাম্প ভারতে আসা ট্রাম্পের পক্ষে ভারতের দিকে ঝুকে থাকার একটা কারণ।

দেমোক্রাট এর নেতা এর কোনো বিতর্ক কথা থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প এর ভালো লাভজনক হতে পারে।

আমেরিকা ভারতের দূরদর্শী পত্রে এত কেন গুরুত্বপূর্ণ। আতংবাদি শেষ করার জন্য ও পাকিস্তান চীন সমেত পরশি দেশের সঙ্গে লাগাম কশাবে বাইডেন সরকার। হিন্দু-মুসলিম সিক জৈন ও অন্যান্য ধর্মের আর সবি আমেরিকা ভারতীয় নাগরিকদের কিছু সময়ের মধ্যে রঙ ভেদে হিংসা বেড়েছে। আজ এনাদের ভরসা দেওয়ার দরকার ওয়াশিংটনে বসা নেতাদের সমর্থন উনাদের সাথে থাকবে। জো বাইডেন এটি সুনিশ্চিত করবে দেশের প্রবাসী বাসিন্দাদের পরিবারের একসঙ্গে থাকার দিকে নজর দিবে আর পরিবারদের ভিসার নিয়ম আরো নরম করবে আর যারা এখনও পড়ে আছে তা তাড়াতাড়ি করে দেওয়া হবে। দেশের আর্থিক অবস্থা দেখে স্থায়ী বা অস্থায়ী জন্য তিনি ভিসার সংখ্যা বাড়াবে ও বিজ্ঞান ও টেকনোলজিস গণিত এর দিকে কাজ করার দিকে ইচ্ছা আর পিএইচডি করা ছাত্র এর প্রতিরোধ গুলি সরানো হবে। উচ্চমানের দক্ষতা অস্থায়ীভাবে ভিসা নিয়মের ঠিক করা হবে। আর দেশের আঁধারে গ্রীন কার্ড এর জারি করা হবে আর তার সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

আমেরিকার মুসলিম এর জন্য বেড়েছিল না রাজি। এরমধ্যে জো বাইডেন আমেরিকা মুসলিমদের জন্য যে বিজন ডকুমেন্ট জারি করেছিল সেখানে কাশ্মীর ও এনআরসির কথা বলা ছিল এ দেখে অনেকগুলো কট্টর হিন্দু নারাজ হয়েছিল।

অনেকজনের কামলা হারিস এর যে কথা বলে বলেছিল সেই হিসাবে অনেক জনই দেখছে এই ভিজন ডকুমেন্ট। ভিশন ডকুমেন্ট এ জো বাইডেন বলেছিল ভারত সরকারকে এমন কদম উঠানো দরকার যেখানে কাশ্মীরা থাকা লোকেদের জন্য তাদের অধিকার দেওয়া হয়। শান্তিপূর্ণ বিরোধ ইন্টারনেট বন্ধ ও আস্তে করা ইন্টারনেট কদম উঠিয়ে ভারত সরকার গণতন্ত্রকে কমজোরি করে দিচ্ছেন। জম্মু কাশ্মীর থেকে ধারা 370 হটিয়ে ও তারপরে ইন্টারনেটের প্রতি বন্ধ করা কামলা হারিস ভারত সরকারের বিপরীত দিকে ছিল।আর এখন তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝাতে তার সোশ্যাল মিডিয়ায় তার মায়ের সঙ্গে অনেক ছবি ও ভিডিও দিচ্ছেন। জো বাইডেন এর ভোটের অভিযানে আমেরিকাতে প্রায় ভারতীয়রা 13 লাক্ষা এমন ভোটার থাকে যা প্রায় আট প্রদেশের ভোটের নির্ণয়ের দিক হতে পারে। এখানে জো বাইডেনের ভোটের প্রচার এর জম্মু-কাশ্মীরের এনআরসির কথা বলার পর এখন তিনি আমেরিকা-ভারতের দিকে ভালো করে নজর দিচ্ছে। 14 ও 15 আগস্টে জো বাইডেন ভারত ও পাকিস্তানের দের জন্য ভার্চুয়াল কার্যক্রম আয়োজন করেছিল।

এদিকে ট্রাম্প এর ভোটের প্রচার এর দিকে ভারতীয় ভোটারের দিকে তারা ভাবছে এক বড় ভোটার দিক তারা পাবে। ট্রাম্প ভিক্টোরিয়া ভারত ও আমেরিকা এক অনুকরণ ভারতীয় ভোটার অর্ধেক থেকেও বেশি ডোনালট্রাম কে সাপোর্ট করতে পারে। এখানে আমেরিকায় থাকা ভারতীয়দের ভোটার যা খুবই আপনি নির্ণয়ের ভূমিকায় রয়েছে। আর এদের কে খুশি করার জন্য দুই পার্টি লেগে পরেছেন।